হায় রে-মানুষ!

তুচ্ছ কারণে পিটিয়ে হত্যা করা হলো মাসুদ মুন্নাকে

তুচ্ছ কারণে ‘ছিনতাইকারী’ বলে পিটিয়ে মারা হলো ইউনিক গ্রুপের সাবেক কর্মকর্তা আবদুল্লাহ মাসুদ মুন্নাকে (৪০)। গত শনিবার রাতে রাজধানীর মগবাজার রেল ক্রসিং সংলগ্ন ‘এসকে টাওয়ারের’ সামনে থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে ‘জাজ মাল্টি মিডিয়া’ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রহস্য উদঘাটনে গতকাল রবিবার গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, শনিবার দুপুরে রামপুরাস্থ নিজের বাসা থেকে বের হয়েছিলেন মুন্না। পুলিশ মারফত খবর পেয়ে রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তার লাশ শনাক্ত করেন স্বজনরা। পিতা এএইচএম খোরশেদ আলম বাদী হয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে রমনা থানায় মামলা করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কাজী শরীফুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মাল্টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বেশিরভাগই জাজ মাল্টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারী। সন্ধ্যার পর এসকে টাওয়ারের সামনের ফুটপাথ দিয়ে যাচ্ছিলেন মুন্না। তার ধাক্কায় ফুটপাথে পার্কিং করা একটি মোটর সাইকেল প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাইভেটকারটি ছিল চিত্রপরিচালক ওয়াজেদ সুমনের। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের লোকজন মুন্নাকে আটক করে। এসকে টাওয়ারের নিচতলায় ধরে নিয়ে যায়। ওই ভবনে অবস্থিত জাজ মাল্টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের লোকজন বেধড়ক পিটিয়ে তাকে হত্যা করে। ভাগ্নে শামসুল আরেফিন বলেন, পথে হোঁচট খেয়ে একটি মটর সাইকেলের উপর পড়লে ওই মোটর সাইকেলটি প্রাইভেটকারের উপর পড়ে। এরপরই গাড়ির লোকজন তাকে আটক করে। পিটিয়ে হত্যা করে মামাকে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।