ভেজাল মিশ্রণকারীদের বিচার হওয়া উচিত ৩০২ ধারায়
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৩১
ভেজালে ছেয়ে গেছে সারা দেশ— ফলমূলে ভেজাল, দুধে ভেজাল, মাছে ভেজাল, তরিতরকারিতে ভেজাল, মিষ্টান্ন দ্রব্যে ভেজাল, এনার্জি ড্রিংকে ফেনসিডিল, মিনারেল ওয়াটারে ভেজাল। এমন কোনো জিনিস নেই যার মধ্যে ভেজাল নেই। ফরমালিনসহ বিষাক্ত ইথোফেন এবং কার্বাইড ব্যবহার করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতামত— এসব ভেজাল ৫/৬ বছর খেলে যে কেউ ক্যানসারে আক্রান্ত হবে। একযুগ পরে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা জরিপ চালিয়ে বলবে, সারাবিশ্বে ক্যানসারে বাংলাদেশ প্রথম স্থানে রয়েছে। লিচুতে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে বিক্রি করা হয়েছিল। সেই লিচু খেয়ে দিনাজপুরে ১৪টি শিশু মারা গেছে। (ইত্তেফাক, ২৮-৬-১২)। এটা একটা সীমাহীন মর্মান্তিক খবর। এরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কি কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে? কোনো পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়নি। দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকগণ বলেছেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সমস্যার প্রধান কারণ বিষাক্ত খাদ্যসামগ্রী। তারা আরো বলেছেন— বাজারজাত খাদ্যের ৯৮ ভাগই ভেজাল। সাবাস ডিজিটাল বাংলাদেশ।
একটি দৈনিকে লেখা হয়েছে— ভেজাল ওষুধে ছেয়ে গেছে দেশ। ওষুধে বিভিন্ন রং, ময়দা, আটা ইত্যাদি মেশানো হচ্ছে। জনসাধারণ কোথায় যাবে আর কী খাবে? আমি আইনজীবী নই। তবু বলতে চাই, যারা খাবারে ভেজাল দিচ্ছে, তারা মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই তাদের বিচার হওয়া উচিত ৩০২ ধারায়। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কামরুল ইসলাম খান, ঢাকা