হাজী দানেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
তারুণ্যের নেটওয়ার্ক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০১৩, ১৮:২৯
তারুণ্যকে কোনোভাবেই কোনো নির্দিষ্ট ফ্রেমে বাঁধা যায় না। তারুণ্য বরাবরই উচ্ছল, উচ্ছ্বাসে ভরা। ভালো করেই জানি ক্যারিয়ারের উন্নতির জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্ব কতটুকু আর এই যোগাযোগের শুরুটি যদি হয় তারুণ্যের এই পড়াশোনা। আড্ডা বা হৈ-হুল্লোড়ের মাঝ থেকে তাহলে বুঝুন আমরা নিশ্চয়ই অন্যদের চেয়ে কতটুকু এগিয়ে। একাডেমিক ভালো রেজাল্ট, প্রফেশনাল দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময়ই আমরা ক্যারিয়ার গ্রাফের সূচকটা খুব বেশি উপরে নিয়ে যেতে পারি না। শুধু কার্যকর নেটওয়ার্কের অভাবে।
বর্তমান এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ ক্যারিয়ার বাজারে হয়তো ভালো সনদপত্রের কল্যাণে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবেন কিন্তু শিখর আরোহণের ক্ষেত্রে অতৃপ্তিটা কিন্তু থেকেই যাবে। কারো কারো মনে হতে পারে, কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ খুবই সহজ। কিন্তু একটা কথা মনে রাখা দরকার, কথা বলা আর কমিউনিকেট করা এক কথা নয়। আমরা মনে করি আগে শ্রোতা, পরে বক্তা। যা গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে সবার আগে হওয়া চাই ভালো শ্রোতা। যখন কোনো বিষয় নিয়ে বলবেন, তখন মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। ভালো শ্রোতা তত ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেন। বক্তার কথা শুনে সে অনুযায়ী জবাব দিতে হবে। কখনোই আলোচনা থেকে সরে যাবেন না, বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুন।
একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে অবশ্যই যোগাযোগ করার সুনিপুণ দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। তারাই এগিয়ে যাবে যারা পড়াশোনার পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতা অর্জন করবে। প্রফেসর মো. রুহুল আমিন বলেন, তোমাদের টেকনিক্যাল স্কিল অবশ্যই বাড়াতে হবে। সমালোচনাকে ভালোভাবে নিন যখন কেউ সমালোচনা করে, আমরা তার দিকেও ছুড়ে দিই অভিযোগের তীর। এটা খুবই খারাপ একটি দিক। আমরা প্রয়োজনীয় সবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রক্ষা করি। বিভিন্ন সামাজিক ও অফিশিয়াল অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া ক্যারিয়ার নেটওয়ার্কিংয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো থেকেই এমন কারো সঙ্গে পরিচয় হয়ে যেতে পারে, যার মাধ্যমে হয়তো আমাদের ক্যারিয়ার গ্রাফটা সঠিক নিয়মে উপরে উঠতে পারে। তাই আমরা সর্বদা শেখার উদ্দেশে ছুটে চলেছি। আমরা অন্যকে দেখে আনন্দিত হই। এতে করে অন্যেরাও আমাদেরকে দেখে আনন্দিত হয়, তাহলে অন্যকে দেখে আপনিও আনন্দ প্রকাশ করুন।
প্রাণখোলা আন্তরিক হাসি দিয়ে অপরকে অভ্যর্থনা করুন। আপনি তাকে দেখে যে সত্যিই আনন্দিত, তার সত্যিকার প্রকাশ ঘটান আপনার আন্তরিক হাসি দিয়ে। তাহলেই আজকের শিক্ষার্থীদের জন্য অপেক্ষা করতে উজ্জ্বল ভবিষ্যত্।