সমস্যা জর্জরিত ঠাকুরগাঁও পিটিআই

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রাইমারী ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (পিটিআই)। ১৯৫২ সাল থেকে প্রাইমারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট নামে পরিচালিত হয়ে আসছে। আর শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কোর্সকে বলা হয় সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন (সিইনএড)। প্রয়োজনীয় জনবল ও ভবনের সমস্যায় দীর্ঘদিন হতে জর্জরিত প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানের প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট হতে শুরু করে এমএলএসএস পর্যন্ত ২৮ জনের পদ থাকলেও দীর্ঘদিন কর্মরত মাত্র ৮ জন। বিশেষ করে সাধারণ ইন্সট্রাক্টর ৮ জনের পদ থাকলেও বর্তমানে একজনও সাধারণ ইন্সট্রাক্টর নেই। দু’জন ইন্সট্রাক্টর, একজন কৃষি ও আরেকজন শারীরিক শিক্ষা ও তিনজন সংযুক্তি ইন্সট্রাক্টর দিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাদান। এদিকে পুরুষদের জন্য ২৪ কক্ষ বিশিষ্ট ৩ তলা ও ১৬ কক্ষ বিশিষ্ট ২ তলা ২টি হোস্টেল থাকলেও দুটিতে ফাটল দেখা দেয়ায় পুরুষ শিক্ষকদের নিয়ে ঝামেলায় পড়েছেন প্রতিষ্ঠানটি। বাধ্য হয়ে নারীদের দুটি হোস্টেলের মধ্যে একটি খালি করে পুরুষ শিক্ষকদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে নারী ও পুরুষ শিক্ষকদের আবাসিক হোস্টেলের সমস্যা দেখা দিয়েছে। ঠাকুরগাঁও প্রাইমারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট নির্মল চন্দ্র বর্মন বলেন, জেলা প্রশাসক মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাসের নির্দেশনায় ৩ তলা ও ২ তলা পুরুষ হোস্টেল দুটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অবহিত করেছি। ঠাকুরগাঁও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহানুর বলেন, ঠাকুরগাঁও পিটিআইয়ের বিষয়ে চিঠি পেয়েছি। তদন্ত করে প্রতিবেদনও জমা দিয়েছি।