ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ও অফিসের কার্যক্রম সীমিত হল

যুক্তরাষ্ট্রের সেবাখাত বন্ধের জের হিসেবে বাংলাদেশেও মার্কিন দূতাবাস ও অন্য অফিসগুলোর কার্যক্রম সীমিত আকারে পরিচালিত হচ্ছে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্দ নিয়ে কংগ্রেসে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান সদস্যদের মতবিরোধ তুঙ্গে উঠায় দেশটির সেবাখাত বন্ধ হয়ে যায়। দেশটির সাত লাখেরও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা মঙ্গলবার থেকে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কনস্যুলেট এবং অন্যান্য অফিসের কাজ সীমিত হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও দাতা সংস্থা ইউএসএআইডির অধীনস্থ বিশ্বব্যাপী সব অফিসেই এই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র মিস কেলি ম্যাক কার্থি গতকাল বুধবার ইত্তেফাক প্রতিনিধির জিজ্ঞাসার জবাবে বলেন, পররাষ্ট্র দপ্তর ও ইউএসএআইডির কার্যক্রম স্বল্প সময়ের জন্য সীমিত আকারে পরিচালিত হতে পারবে। দূতাবাসের ফি-নির্ভর কার্যক্রম যেমন ভিসা ও পাসপোর্ট ইস্যু ও মার্কিন নাগরিকদের সেবা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কারণ সংগৃহীত ফি দিয়ে এসব কাজ পরিচালিত হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তরের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক কাজ হচ্ছে বিদেশে মার্কিন নাগরিকদের সেবা প্রদান করা। দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো এসব সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছে বলে মুখপাত্র কেলি ম্যাক কার্থি জানান। সাধারণতঃ অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অর্থবছর গণ্য করা হয়। গত ১ অক্টোবরের মধ্যে ২০১৪ অর্থ বছরের বাজেটে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান সদস্যদের মধ্যে অনৈক্যের কারণেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বাজেট অনুমোদন না হওয়ায় নতুন বছরে অর্থ ছাড়ও বন্ধ হয়ে যায়। উল্লেখ্য, ১৭ বছর আগে ১৯৯৬ সালে তত্কালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমলেও অনুরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।