সৈয়দপুরে আগাম জাতের
ধানের ভালো ফলন
সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৫৭
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ‘মঙ্গা’ তাড়ানোর ধান হিসেবে পরিচিত আগাম জাতের আমন ধান কাটা- মাড়াই শুরু হয়েছে। গেল কয়েক বছরের চেয়ে এবারে ধানের ফলন ভালো হয়েছে। এছাড়া ধান ও খড়ের দাম ভালো পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক। তাই কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি।
কৃষি বিভাগ জানায়, এবারে জেলায় হাইব্রিড জাতের ব্রী ধান-৩৩, ব্রী ধান-৩৯, ব্রী ধান-৪৯, ব্রী ধান-৫৬ ও বীণা-৭ জাতের ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে বীণা-৭ ও ব্রী ধান-৩৩ হলো আগাম জাতের আমন ধান। এলাকার মানুষের কাছে সাধারণত এই ধান মঙ্গা তাড়ানোর ধান হিসেবে পরিচিত। এ সময় কৃষকের ঘরে বিক্রয়যোগ্য অন্য কোন ফসল না থাকায় কৃষকরা এই ধান বিক্রি করে অভাবের সংসারে কিছুটা ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করেন। কৃষকরা এই ধান কেটে সেই জমিতে আলু চাষের প্রস্ততি নিচ্ছেন। বাজারে ধান ও গোখাদ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকায় খড়ের দামও তুলনামুলকভাবে বেশি। খড় বিক্রি করে ধান কাটা- মাড়াইয়ের খরচ অনায়াসে মিটছে বলে জানান কৃষকেরা।
কৃষকরা জানান, আগাম জাতের ধান চাষে নানাভাবে লাভবান হওয়া যায়। প্রথমত: আশ্বিন- কার্তিকের মঙ্গার মাসে ধান আসে। দ্বিতীয়ত: ওই জমিতে রবি ফসলের চাষ করা যায় এবং তৃতীয়ত: ওই জমিতে বোরো চাষ করে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এবার আগাম জাতের আমন ধানের ফলন অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে। প্রতি একরে গড়ে ৪০-৪৫ মন ধান পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকরা একই জমিতে আমন, রবি ফসল ও বোরো ধানের চাষ করতে পারেন। এছাড়া খড় বিক্রি করেও কৃষকরা লাভবান হবেন।