আগাম মূলা চাষ করে লাভবান হয়েছেন সাতকানিয়ার কৃষক

আগাম মূলা চাষ করে লাভবান হয়েছেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার চাষীরা। উপজেলার শঙ্খ নদীর পূর্ব কাঠগড় কালিয়াইশ ও রসুলাবাদ গ্রামে পানি সহনীয় হাইব্রিড মূলা চাষ করেছিলেন তারা। ভাল ফলনের পাশাপাশি বেশি দামে বিক্রিও হয়েছে সেই মূলা। রসুলাবাদ গ্রামের চাষী নওশা মিয়া দেড় একর জমিতে পানি সহনীয় বর্ষাকালীন মূলা চাষ করে প্রচুর ফলন পেয়েছেন। নওশা মিয়া জানালেন, প্রথমবার ফলন তুলে প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে দুই শত কেজি মূলা বিক্রি করেছি। খরচের চেয়ে দ্বিগুণ লাভ পেয়েছি। পূর্ব কাঠগড় গ্রামের চাষী জমির উদ্দিন বলেন, এক একরের কাছাকাছি জমিতে মূলা চাষ করেছি। আগাম জাতের মূলা চাষে পরিশ্রম ও খরচ একটু বেশি। তবে মৌসুমী মূলার চেয়ে দাম পাওয়া যায় বেশি। কাঠগড় গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, আগাম মূলা চাষীরা ক্ষেত থেকে মূলা তুলে নৌকা যোগে দোহাজারীর পাইকারি কাঁচাবাজারে নিয়ে যাচ্ছেন। মূলা চাষী আহমদুর রহমান (৪৬) ও ছগির আহমদের (৪৩) সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগাম মূলা চাষ করে তারা লাভবান হয়েছেন। লালটিয়ার চাষীদের দেখাদেখি এবার আগাম জাতের মূলা চাষ করেছি। চাষী ও কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়া উপজেলার শঙ্খ নদীর তীরে তিন গ্রামে অন্তত ১০ হেক্টর জমিতে এবার আগাম জাতের বর্ষাকালীন মূলা চাষ করা হয়েছে। এ মূলা ক্ষেতে চাষীরা ভাল ফলনের আশায় টিএসপি ও ইউরিয়াসহ মিশ্র জাতের সার ব্যবহার করেছেন। তাতে কাজও হয়েছে ভাল। সাতকানিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবদুল জব্বার বলেন, পূর্ব কাঠগড়, রসুলাবাদ ও কালিয়াইশ এলাকার অন্তত ২০ জন চাষী আগাম জাতের হাইব্রিড মূলা চাষ করেছেন। চাষীরা হাইব্রিড প্রজাতির তাসাকিসান ও মিনু আরলি লং জাতের মূলা চাষই বেশি করেছে।