শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রলীগ ছাত্রদল মুখোমুখি

শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এমবিবিএস পরীক্ষা শেষে শুভেচ্ছা মিছিল নিয়ে ছাত্রদল-ছাত্রলীগ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। মেডিক্যাল কলেজের আওয়াতাধীন ২টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সকাল ১০ টায় পরীক্ষা শুরু হলে ১ ঘন্টা পর বেলা ১১ টায় শেষ হলে বিগত ৪ বছর পর কলেজ শাখা ছাত্রদল শুভেচ্ছা মিছিল করে। কলেজ ছাত্রলীগ ছাত্রদলের মিছিল বন্ধ করতে পুলিশের সহায়তা চায়। কোতোয়ালী থানা পুলিশ ছাত্রলীগকে ছাত্রদলের পাশেই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মিছিল করার অনুমতি দেয়। বেলা ১টার দিকে ছাত্রদলের নেতারা কর্মীদের সাথে মিছিল শেষে ঘরোয়া মিটিং শেষ করে ছাত্রাবাসে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে ৪০ তম ব্যাচের ছাত্র ও একই হোস্টেলের ২০৩ ও ২০৬ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা এবং ছাত্রলীগের কলেজ কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া রাফি ও প্লাবন তাদের কক্ষে যান। মিছিলে যাওয়ার কারণ জানতে চেয়ে রাফি ও প্লাবন তিন ব্যাচ জুনিয়র ছাত্র আরিফ ও রিদনকে বেধম মরধর করেন। আরিফ ও রিদনের উপর হামলার কথা ছাত্রাবাসে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি জামসেদ, সাধারণ সম্পাদ রাকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন সৈকত, রেজওয়ান সীমান্ত, দপ্তর সম্পাদক এফ এ আল মামুনসহ শতাধিক নেতাকর্মী ২ নম্বর হোস্টেলে অবস্থান নেয় এবং রাফি-প্লাবনের হাত থেকে ছাত্রদল কর্মীদের উদ্ধার করেন। সাথে সাথে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরবর্তীতে পুলিশের উপস্থিতিতে রাফি ও প্লাবন ছাত্রদল নেতাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে মুক্ত হন। কোতোয়ালী পুলিশ জানায়, কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনার পূর্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।