দেশ জুড়ে চলছে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১০
শারদীয় দুর্গোত্সব উপলক্ষে মণ্ডপগুলোতে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। দিন-রাত রঙ আর তুলির শেষ আঁচড়ে প্রতিমা রাঙিয়ে তুলছেন শিল্পীরা।
নওগাঁ
নওগাঁয় এবার ৭১০টি মণ্ডপে পূজা উপলক্ষে দিনরাত চলছে নানা আয়োজন। নওগাঁ সদর উপজেলায় ১০৪টি, আত্রাইয়ে ৪৭টি, রাণীনগরে ৪০টি, মহাদেবপুরে ১৩৬টি, নিয়ামতপুরে ৫৮টি, পোরশায় ২০টি, সাপাহারে ১৩টি, পত্নীতলায় ৬৯টি, বদলগাছীতে ৭৯টি, মান্দায় ১১৫টি ও ধামইরহাটে ২৫টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ৭১০টি পূজামণ্ডপে মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপে ১৯২টি চিহ্নিত করা হয়েছে। কম ঝুঁকিপূর্ণ ২৯৮টি।
বাগেরহাট প্রতিনিধি
এ বছর বাগেরহাট জেলার ৯ উপজেলায় ৫৭২টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। বাগেরহাটের হাকিমপুর শিকদার বাড়িতে ১৫১টি বিভিন্ন প্রতিমা নির্মাণের মধ্য দিয়ে মণ্ডপ সুসজ্জিত করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর
দিনাজপুর জেলার ১৩ উপজেলায় এবার ১ হাজার ১০৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এসব পূজা মণ্ডপের মধ্যে ১০৬৮টি সার্বজনীন ও ৪১ পারিবারিক মণ্ডপ। সদর উপজেলায় ১৪৫টি, বিরল উপজেলায় ৯১টি, চিরিরবন্দরে ১২৮টি, পার্বতীপুরে ১৩৩টি, বীরগঞ্জে ১৪৭টি, বোচগাঞ্জে ৮৩টি, কাহারোলে ৮৮টি, খানসামায় ১১০টি, ফুলবাড়ীতে ৫১টি, বিরামপুরে ৩০টি, নবাবগঞ্জে ৫৫টি, হাকিমপুরে ১৭টি এবং ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৩১টি পূজা মণ্ডপে এবার দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। সরকারিভাবে প্রতিটি মণ্ডপের জন্য অনুদান হিসেবে ৫শ’ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ জেলায় এবার ৬৮৭টি পুজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোত্সব উদযাপিত হবে। শহরের পৌর এলাকায় ১০১টি ও উপজেলা শহরগুলোতে ৫৮৬টি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে।
সৈয়দপুর (নীলফামারী)
সৈয়দপুরে এবারে ৭৭টি পূজা মণ্ডপ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি ইউনিয়নে ৬১টি ও পৌর এলাকায় ১৬টি রয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি পূজা মণ্ডপে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য দেব-দেবীর প্রতিমাকে রং-বেরঙের তুলির আঁচড় দেয়া হচ্ছে। সাজানো হচ্ছে পূজা মণ্ডপ। চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ। এবারে সৈয়দপুরের সবচেয়ে বড় দুর্গাপূজার মণ্ডপ বসেছে শহরের রংপুর রোডে শিল্পপতি ও সমাজসেবক সুশীল কুমার দাসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিটি ট্রেডার্সে।
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর)
রায়পুর উপজেলায় ১০টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। পূজা উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আলম। উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডা. অমৃতলাল নাথ, রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রূপক কুমার সাহা, ইউপি চেয়ারম্যান।
আদমদীঘি (বগুড়)
আদমদীঘি উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা মিলে এবার ৬৭টি মন্দিরে শরর্দীয় দুর্গাপূজা প্রতিমা তৈরি শেষে রং তুলির কাজ চলছে। আদমদীঘি সদর ইউনিয়নে ১৩টি মন্দিরে ছাতিয়ানগ্রামে ৯টি, সান্তাহারে ৪টি, সান্তাহার পৌরসভায় ৯টি, নশরতপুরে ৮টি, কুন্দগ্রামে ১৩টি, চাঁপাপুরে ১২টি দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
লাকসাম (কুমিল্লা)
লাকসাম ও মনোহরগঞ্জে ৪২টি পূজা মণ্ডপ দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। লাকসাম কালি বাড়ি, উত্তর বাজার বণিক্য বাড়ি, জগন্নাথ দেবালয়, দক্ষিণ লাকসাম সুভাষ বনিকের বাড়ি, পশ্চিমগাঁও সাহাপাড়াসহ বিভিন্ন মণ্ডপে এবং পাড়া মহল্লায় কিংবা বাসাবাড়ির পারিবারিক মন্দিরগুলোতে দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন মৃিশল্পীরা।
দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ)
দৌলতপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৩৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপের জন্য সরকারিভাবে ৪২৪ কেজি চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।