চ্যালেঞ্জ দেখছেন সাকিব-উইলিয়ামসন
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৫
২০১০ সালের ১৪ অক্টোবর: সাকিব আল হাসানের সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আরও একটি ম্যাচ জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে মাত্রই বিশ বছরে পা দেওয়া, তিন ওয়ানডে অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠে নামা এক তরুন সেঞ্চুরি করে চেষ্টা করেছিলেন দলের মান বাচানোর। যদিও সেই ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের সিরিজ হার নিশ্চিত হয়েছিল; কিন্তু সেই সদ্য কৈশোর পার করা কেন উইলিয়ামস চিনিয়েছিলেন নিজের জাত।
গতকাল চট্টগ্রামে বাংলাদেশ দল ও নিউজিল্যান্ড দলের হয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কথা বলতে এলেন সেই কেন উইলিয়ামসন এবং সেই সাকিব আল হাসান। কী অদভুত মিল সময়ের! সেদিনও সাকিব হেসেছিলেন, উইলিয়ামসন হতাশ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। কালও তাই হল। তবে এবার দলের জয় পরাজয় নয়; এবার দু জনের মুখের এই বিপরীত চেহারা বৃষ্টির জন্য!
বৃষ্টিতে অনুশীলন ম্যাচ ভেসে যাওয়ায় একদিকে কেন উইলিয়ামসনরা সবাই যখন দারুন হতাশা প্রকাশ করছেন, তখনই মনে মনে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা একটু যেন উত্ফুল্ল—নিউজিল্যান্ড অনুশীলনের সুযোগ তো পেল না! সাকিব এই গোপন ব্যাপারটা লুকানোর চেষ্টা করলেন না। প্রসঙ্গটা উঠতে সোজা বলে দিলেন, ‘বাংলাদেশের লাভ? তা হয়েছে, বলতে পারেন।’
বাংলাদেশের লাভ হয়েছে, কী হয়নি; সেটা বোঝা যাবে আসলে নিউজিল্যান্ডের সফর শেষ হলে। তবে নিউজিল্যান্ডের যে ক্ষতি হয়েছে, তাতে সন্দেহ নেই। নিউজিল্যান্ডের যে খেলোয়াড়ই সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসছেন, তারই কণ্ঠে এই অনুশীলন ম্যাচ না হওয়া নিয়ে হাহাকার।
এই হাহাকারকে পাশ কাটিয়ে কেন উইলিয়ামসনকে কথা বলতে হল বাংলাদেশে তার সেই শুরুর সময়ের অভিজ্ঞতা। সে অভিজ্ঞতার স্মৃতি এখনও উইলিয়ামসনকে মুগ্ধ করে। কিন্তু সেই স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গেই কথা বললেন তিনি, ‘আমি সে সময় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করলেও এখানে টেস্ট খেলিনি। ফলে টেস্ট খেলাটা চ্যালেঞ্জের হবে। আমরা সারা দুনিয়ায় খেলে বেড়াই। কিন্তু বাংলাদেশ বা উপমহাদেশের উইকেট একেবারেই আমাদের অভ্যস্থ উইকেটের মতো নয়। তাই এখানে সতর্কতার বিকল্প নেই।’
সতর্কতা ও চ্যালেঞ্জ আছে বাংলাদেশের সামনেও। সেটা স্বীকার করলেন সাকিব আল হাসানও। বাংলাদেশের প্রধাণ চ্যালেঞ্জ হবে ওয়ানডে থেকে হঠাত্ টেস্টে মানিয়ে নেওয়া। এটা চ্যালেঞ্জ স্বীকার করে নিয়েও সাকিব বলছেন, ‘ম্যাচ অনুশীলনের হয়তো ঘাটতি থেকে গেল। (টেস্টে) খারাপ করলে এটাকে ঘাটতি বলেই মনে হবে। আর এই এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে মানিয়ে নেওয়া, বিশেষ করে বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জের। তবে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে এই মানিয়ে নেওয়াই আমাদের কাজ।’
ছবিতে উসাইন বোল্টের পাশের শিশুটির নাম হার্লি লেন
ছবিতে উসাইন বোল্টের পাশের শিশুটির নাম হার্লি লেন। মাত্র তিন বছর বয়সে মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয় শিশুটি। সেসময় কোনো রকমে প্রাণে বেঁচে গেলেও দুই হাতের কনুই থেকে বাকি অংশ এবং দুই পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ কেটে বাদ দিতে হয়। অদম্য এই শিশু থেমে থাকেনি তারপর। চালিয়ে গেছে লেখাপড়া-খেলাধূলা। ৮ বছর বয়সী হার্লির অদম্য প্রাণশক্তির জন্য ব্রিটিশ দৈনিক ‘মিরর’ তাকে ‘প্রাইড অব ব্রিটেন অ্যাওয়ার্ড’এ ভূষিত করেছে। মূলত ব্রিটিশ জনগণের মধ্যে জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে যারা এগিয়ে গেছে তাদেরকেই এই পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে। আর হার্লি লেনকে এই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিতে ছুটে গেছেন বোল্ট নিজে!