বি ত র্ক .................................................

‘যুক্তিতে মুক্তি’

‘যুক্তিতে মুক্তি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার কুষ্টিয়ায় শুরু হয় পেপসোডেন্ট-প্রথম আলো জাতীয় স্কুল বিতর্ক উত্সব-২০১৩। জাতীয় স্কুল বিতর্কে অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে ক্ষুদে বিতার্কিক কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী তাসনুবা মেহনাজের অদম্য ইচ্ছা ও মনোবল ছিল যে, দলগতভাবে তাদের উপস্থাপিত যুক্তিই হবে সবার সেরা এবং তার দলই ফাইনালে রাউন্ডের চুড়ান্ত পর্বে বিতর্ক লড়াই করবে। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি। প্রথম পর্বেই বিদায় নিতে হয় তার দলকে। তবে দলকে বিদায় নিতে হলেও মেহনাজ সবোর্চ্চ নম্বর পেয়ে সেরা বির্তাকিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। দলগত অবস্থান থেকে ছিটকে পড়লেও নিজে এগিয়ে যাবার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগিয়েছে ক্ষুদে বিতার্কিক মেহনাজ। তাসনুবা মেহনাজ এই প্রথম তিনি বির্তক প্রতিযোগিতায় অংশ করে সেরা বিতার্কিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। জাতীয় এই বিতর্ক লড়াইয়ে কুষ্টিয়া অঞ্চলের ক্ষুদে বিতার্কিকদের লড়াইয়ে কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলার দশটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। প্রথম পর্ব শুরুর পর তুমূল বিতর্ক ও যুক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বির্তাকিকরা কোর্য়াটার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল বির্তক প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। প্রতিযোগিতার এক পর্যায়ে সবাইকে ডিঙ্গিয়ে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল ও কুমারখালি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফাইনালে উঠে আসে। ‘বাবা মায়ের অবহেলার কারণেই শিশুরা বিপদগামী হয়’ এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে কুমারখালি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা ফাইনালে বিজয়ী হয়। কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের বিতার্কিক মুজতবা আকিব প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, বিতর্কে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে যুক্তি উপস্থাপন ও মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিতর্ক অনুষ্ঠান এক সর্বোত্তম মাধ্যম। বির্তক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের মাধ্যমে নেতৃত্বসুলভ মনোভাব সৃষ্টির পাশাপাশি যুক্তির বিবেচনায় যেকোন বিষয় সম্পর্কে মূল্যায়ন করার সক্ষমতা বেড়েছে বলে ক্ষুদে এই বিতার্কিক জানান।