মি স ও য়া র্ল্ড ২০১৩ ........................ .

সুন্দরের সম্রাজ্ঞী

ফিলিপিনো আমেরিকান ২৩ বছর বয়সী মডেল ও অভিনেত্রী মেগান ইয়াং, ১৯৯০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রায় জন্ম নেয়া এই তরুণীর বাবা আমেরিকান, মা ফিলিপিনো। সেই সূত্র ধরেই দশ বছর বয়সেই অল্পানাগো সিটিতে চলে আসেন সেখানেই পড়ালেখা করেন। শোবিজের জগতের যাত্রার শুরুটা রিয়েলিটি শো দিয়ে। স্টারস্ট্রাক নামের একটি রিয়েলিটি শো থেকেই প্রথম পর্দার সম্মুখে আসেন তিনি, এরপর জিএমএ-এর সাথে দুই বছর কাটিয়ে এবিএস সিবিএনের সাথে কাজ করেন তিনি। মূলত টেলিভিশনেই কাজ করেন মেগান, শুধু তাই নয়, এর মাঝেই বেশ কিছু সিনেমাতেও কাজ করেন তিনি। এছাড়াও বেশ কিছু নাটক ও সিনেমায় অভিনয় করার মধ্য দিয়ে বেশ পরিচিতি লাভ করেন মেগান ইয়াং। এ বছর অগাস্টে ২৪ জন প্রতিযোগীকে হারিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড ফিলিপাইন খেতাব জিতে নেন, সাথে জিতেন ৬ ছয়টি স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড। মিস ওয়ার্ল্ড খেতাবের জন্যও বেশ শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মেগান, আর তার যোগ্যতার মাধ্যমেই ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হয়ে যাওয়া মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগীতায় জিতেন তিনি, ১২৬ জনকে হারিয়ে তিনি বিশ্বজয়ী হন। ‘টপ মডেল’ কম্পিটিশনে তিনি প্রথম হন, মাল্টিমিডিয়া চ্যালেঞ্জে হন চতুর্থ ও ‘বিচ বিউটি’ প্রতিযোগিতায় হন পঞ্চম। পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি উচ্চতার মেগান তার থেকে ভালো শারীরিক গঠনের অনেককেই হার মানান যোগ্যতার দ্বারা। আর তার বিরুদ্ধে আসা সমালোচনারও মোক্ষম জবাব দেন, প্রথম ফিলিপিনি হিসেবে মিস ওয়ার্ল্ড জেতাটা অনেকের চোখেই ভালো লাগেনি, আর সেই জন্য অনেকেই করেছেন কটু মন্তব্য। এক অদম্য ফিলিপিনের সাফল্যের ঈর্ষায় হোক আর নিজের ব্যর্থতায়ই হোক তার জয়ী হওয়াটা উন্নত বিশ্বের অনেকের পছন্দ হয়নি, এ ব্যাপারে ফেসবুকে বেশ তোলপাড় হয়েছে, তাছাড়া মেগানের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী মন্তব্যের দায়ে একজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। মেগান এ ব্যাপারে কোনো প্রত্যুত্তর দেননি। মিস ওয়ার্ল্ড জিততে মেগানকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে একটি প্রশ্নের উত্তর, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কেন তাকেই মিস ওয়ার্ল্ড করা হবে, সে উত্তরে বলেছিল, কারণ আমি অর্ধেক ফিলিপাইনকে এখানে নিয়ে এসেছি আমার সাথে।