দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের উদ্যোগ বিওএ-এর

এসএ গেমস, এশিয়ান গেমস এবং কমনওলেথ গেমসকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। গতকাল শনিবার বিওএ’র ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির বৈঠকে ১১টি খেলার ক্রীড়াবিদদের দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ফেডারেশনগুলোকে প্রস্তুতি নিতে আজ-কালের মধ্যে পত্র পাঠানো হবে। বাজেট পাঠাতে বলা হবে। দুই মাস সময় নিয়ে ফেডারেশনগুলো ক্রীড়াবিদ বাছাই করবে। বাছাইকৃত ক্রীড়াবিদদের নিয়ে এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করবে। ভারতে এসএ গেমস হওয়ার কথা রয়েছে, এছাড়াও আগামী বছর স্কটল্যান্ডে কমনওয়েলথ গেমস এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হবে। এই তিনটি গেমসকে লক্ষ্য রেখে বিওএ ক্রীড়াদিবদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। এর জন্য ১১টি খেলা নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যারচ্যারি, বক্সিং, ব্যাডমিন্টন, সুইমিং, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিলটেনিস, ভারোত্তোলন, উশু, কারাতে এবং জিমন্যাস্টিকস খেলাগুলো বিশেষ নজরে আনা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত খেলাগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণে দলীয় খেলা রাখা হয়নি। কারণ বিওএ’র নীতি-নির্ধারকদের বিশ্বাস আন্তর্জাতিক গেমসে ব্যক্তিগত খেলা থেকে পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। যেটা দলীয় খেলায় পদক পাওয়াটা কঠিন। বিওএ’র উপ-মহাসচিব ট্রেনিং কমিটির চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মিকু জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খেলায় ইন্ডিভিজুয়াল ডিসিপ্লিনে পদক জয়ের সম্ভাবনাই বেশি থাকে। যে কারণে আমরা এই দিকটায় নজর দিতে চাচ্ছি।’ দলীয় খেলা নিয়ে বিওএ’র কোনো পরিকল্পনার কথা শোনা গেল না ট্রেনিং কমিটির চেয়ারম্যানের মুখে। সহজভাবে পদক জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে ব্যক্তিগত খেলাগুলো। তাই বিওএ ১১টি খেলা নির্ধারণ করে প্রসু্ততি নিতে শুরু করেছে। দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনে ক্রীড়াবিদদের বিদেশে পাঠানো হবে। না হলে বিদেশ থেকে কোচ আনা হবে প্রশিক্ষণের জন্য। বিওএ’র উপ-মহাসচিব মিকু বলেন, ‘আমাদের সভাপতি স্পন্সরের ব্যবস্থা করেছেন। মহাসচিব এবং সভাপতি মিলে বিষয়টি দেখছেন। আমরা শুধু পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরছি। তারা দেখে যাচাই করে অনুমোদন দেবেন।’ তিনি জানিয়েছেন ২০ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। আগামী বছর ২৩ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ২০তম কমনওয়েলথ গেমস।