‘প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন করা হবে’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনীর নাম না থাকলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনাবাহিনীর সহায়তা নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ। তিনি বলেছেন, গত নয়টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী সহায়তা করেছে। আগামী নির্বাচনেও যদি কমিশন মনে করে তাহলে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ইসি সচিবালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে রাজধানীর একটি হোটেলে ২৯টি নাগরিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের (ইডব্লিউজি) এক জরিপে দেশে প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়নের পক্ষে বলে মত দিয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, নির্বাচনের মালামালসহ সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিদিনই নির্বাচনী মালামাল ইসিতে আসছে। আশা করছি, যথাসময়ে সকল মালামাল এসে পৌঁছাবে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনের বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকতে এবং যেতে হলে অবশ্যই নিবন্ধিত সব দলকে নির্বাচনে আসতে হবে এবং তারা নির্বাচনমুখী হবেন। কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যা যা করার তাই করছে। কমিশন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে প্রস্তুত তা জনগণকে আশস্ত করতে চায়। আর সংবিধান অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণের আগের ৯০দিনের মধ্যে নির্বাচন করবো। তবে তফসিল ঘোষণার সময় নির্ধারণ এখনো করা হয়নি। কমিশনে বসে তা চূড়ান্ত করা হবে। বিতর্কিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পাচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, নতুন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোন একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেবে না ইসি। এমনকি কোনো ধরনের অনুকম্পা বা বাড়তি সুবিধা দেয়ার সুযোগ নেই ইসির। এমনকি কোন অবস্থাতে নিবন্ধিত কোনো রাজনৈতিক দলের সাদৃশ্য প্রতীকও দেয়া হবে না বলে জানান তিনি। নতুন যারা নিবন্ধিত হবেন তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সময় রেখে নিবন্ধনের সনদ দেয়া হবে। এ ব্যাপারে সহসাই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে শাহ নেওয়াজ বলেন, কাউন্সিলের সময় চেয়ে দুই-একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দরখাস্ত এসেছে। এ বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো বৈঠকে বসেনি।