হয়তো তবুও ভালোবাসা

ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছে ঈদের জন্য নির্মিত হলো টেলিফিল্ম ‘হয়তো তবুও ভালোবাসা’। ফারিয়া হোসেনের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন শেখ রুনা। সম্প্রতি উত্তরা ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে এই টেলিফিল্মের শুটিং হয়েছে। এর লোকেশন ঘুরে এসে লিখেছেন খালেদ আহমেদ হঠাত্ করেই রাসেল দেখতে পায় মিমিকে। প্রথম দেখাতেই মিমিকে তার ভালো লাগে। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া মিমি যেমন সুন্দরী, তেমনি ওর মধ্যে একটি অদ্ভুত নরম মন আছে। রাসেল ওকে যত দেখে তত বেশি প্রেমে পড়ে। রাসেল কম বয়সেই ভালো ব্যবসা করছে। যশোরে ওর মা। রাসেল একসময় মায়ের দেওয়া গলার চেনটিও পরিয়ে দেয় মিমিকে। মিমির মধ্যে প্রচণ্ড ভালোবাসা কাজ করে। প্রথম দেখা, প্রেম, তারপর ঘর বাঁধা এবং সারাজীবন সুখে আর ভালোবাসায় কাটানো। এই স্বপ্নে বিভোর মিমি। পথে শুধু একটি বাধা। রাসেল একটি বড় কাজের টেন্ডার দিয়েছে। শুধু মাত্র ১০ লাখ টাকার জন্য কাজটি তার হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে। মিমি জানায় ওর বাবার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা খুব সহজে এনে দিতে পারে। এনে দেয়ও। রাসেল খুশি, মিমি আরও বেশি খুশি। রাসেল কাজটি পায়, কিন্তু হঠাত্ করে যশোরে মায়ের অসুখের কথা শুনে ওকে যশোরে যেতে হয়। রাসেল মিমিকে পরানো চেনটি নিয়ে যেতে চায়। কারণ মা এটি তার ছেলের বউকে নিজের হাতে পরাবেন। মিমিও সেই দিনের অপেক্ষায় থাকে। রাসেল চলে যায়। এখানে এসেই রাসেলের অন্য এক চেহারা। সে হিসাব করে দুই মাসে তার কত খরচ আর কত লাভ। ২ মাসের লাভে সে খুশি। ১ মাস পর সে আবারও নতুন উদ্যমে আরও একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির সামনে যেয়ে দাঁড়ায় নতুন শিকারের আশায়। পেয়েও যায় একটি সুন্দরী মেয়ে লতাকে। সুন্দর চেহারার রাসেলের এটাই কাজ। সে ধনীর মেয়েদেরকে টার্গেট করে। তাদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু রাসেলের মনে কি কখনোই সত্যিকারের প্রেম আসে না। আর মিমিরই বা কি হয়? সে কি রাসেলের অপেক্ষায় থাকবে? সত্যিটা জানবে, নাকি সে রাসেলের এই অন্যায়কে বন্ধ করার জন্য কিছু করবে। কিন্ত সে তো রাসেলকে ভালোবেসেছিল। তবুও তো তার মনে ভালোবাসা থেকে যেতে পারে। এমনি গল্প নিয়ে নির্মিত হলো আসছে ঈদের জন্য টেলিফিল্ম ‘হয়তো তবুও ভালোবাসা’। ফারিয়া হোসেনের রচনা ও শেখ রুনার পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক আমিন খান, মিমোসহ আরও অনেকে। সম্প্রতি উত্তরা ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে এই টেলিফিল্মের শুটিং হয়েছে। এই টেলিফিল্মে অভিনয় প্রসঙ্গে আমিন খান বলেন, ‘এখানে আমি একজন প্রতারক প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছি। যে সব মেয়ের সাথে মিথ্যে প্রেমের অভিনয় করে। সব মিলিয়ে টেলিফিল্মটি ভালো লেগেছে।’ মিমো বলেন, ‘এই টেলিফিল্মের গল্প বেশ ভালো। এতে বেশ কয়েকটি গান আছে। যেগুলো দেখে যে কারো মনে হবে এগুলো ফিল্মের গান। আর পরিচালকের সাথে আমার সখ্যতা একটু বেশি। তাই তার সুন্দর একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করতে পেরে আমি আনন্দিত।’ পরিচালক শেখ রুনা বলেন, ‘এর গল্পের পটভূমি সব কিছুই করা হয়েছে বাস্তব জীবনের গল্প নিয়ে। যা নিঃসন্দেহে একটা আলাদা অনুভূতির জন্ম দেবে দর্শকদের মাঝে।’ ‘হয়তো তবুও ভালোবাসা’ টেলিফিল্মটি আসছে ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকেল তিনটায় এটিএন বাংলায় প্রচার হবে।