টু কি টা কি

অভিষেক বাংলাদেশের ৬৯তম খেলোয়াড় হিসেবে টেস্ট অভিষেক হল মার্শাল আইয়ুবের। মূলত তিন নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে আগমন ঘটলেও অভিষেকটা হল বোলিং দিয়ে। তবে, বল হাতে করা দুটি ওভারকে ভুলেই যেতে চাইবেন তিনি। লেগ ব্রেক বোলিংয়ে রান দিয়েছেন ১৫! এর মধ্যে দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে পিটার ফুলটন মিড উইকেটের উপর দিয়ে এক ছক্কা হাঁকান। মার্শাল ছাড়া আরও দুজন খেলোয়াড়ের অভিষেক ঘটেছে গতকাল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্ট ক্যাপ মাথায় চড়িয়েছেন ইশ সোধি ও কোরি অ্যান্ডারসন। এখানেই শেষ হচ্ছে না অভিষেকের মিছিল। এই ম্যাচ দিয়েই প্রথম বারের মতো টেস্ট ম্যাচ আম্পায়ারের দায়িত্ব পেলেন সুন্দারাম রবি। উড়ন্ত সূচনা! প্রথম একঘন্টায় ১৮ ওভার! না কোন রেকর্ড হয়নি। তারপরও উড়ন্ত সূচনা একে বলাই যায়। শুরুতেই উইকেট পাওয়ার জন্য মরিয়া বাংলাদেশ অধিনায়ক প্রথম পাঁচ ওভার পরই আক্রমণে আনেন দুই বছর পর টেস্ট দলে ফেরা আব্দুর রাজ্জাককে। এর দুই ওভার পরই আরেকপ্রান্তে যোগ দিলেন সোহাগ গাজী। এর ফলাফল পেতে অবশ্য একটু দেরীই হয়ে যায় মুশফিকের। ২৩ তম ওভারে গিয়ে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। সোহাগ গাজীর বলে ৩৪ রান করে আউট হয়ে ফিরে যান হ্যামিশ রাদারফোর্ড। নাসির-বিষ্ময়! ১২৬ রানের জুটি গড়ে তখন উইকেটে রীতিমতো শিকড় গেড়ে বসেছেন দুই ব্যাটসম্যান কেন উইলিয়ামসন ও পিটার ফুলটন। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমেরও তখন চুল ছেঁড়ার মতো অবস্থা। পেস-স্পিন কোন কিছুতেই আটকানো যাচ্ছে না কাউকেই। এই অবস্থায় চা-বিরতির ঠিক আগের ওভারে বল হাতে এলেন নাসির। পেস কিংবা স্পিন যেকোন ধরনের বোলিংয়েই সমান পারদর্শী নাসির এবার করলেন অফ স্পিন। প্রথম পাঁচটা বল দেখেশুনে খেললেও শেষ বলে এসেই গোল বাঁধালেন পিটার ফুলটন। অফ স্ট্যাম্পের বলে নিরীহ দর্শন বলটাকে কভারে দাঁড়ানো মমিনুলের হাতে তুলে দিলেন। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটলো।