মানুষের প্রত্যাশা ছিল সর্বোচ্চ শাস্তি :১৪ দল
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৫৭
মানবতাবিরোধী অপরাধে বিএনপি নেতা আবদুল আলীমের আমৃত্যু যাবজ্জীবন রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল এ নরঘাতকের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। তবে আদালতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালের রায় মেনে নিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। গতকাল রায় ঘোষণার পর তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আদালতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রায় মেনে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই একই কারণে সবাই এই রায় মেনে নেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সে যে স্বাধীনতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী ছিল তা প্রমাণিত। এজন্য দেশবাসী এ যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তিই আশা করেছিল।
গতকাল কাওরান বাজারে টিসিবি ভবনের নিজ কার্যালয়ে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের হানিফ আরো বলেন, একাত্তর সালে আবদুল আলীম এতই নৃশংস গণহত্যা চালান যে, লোকজন তাকে বাঁশের খাঁচায় ভরে জয়পুরহাটের মোড়ে রেখে দেয়।
মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মল্লিক যৌথ বিবৃতিতে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এই রায় প্রত্যাশিত নয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই রাজাকাররা কোন মানবতার ধার ধারেননি, কোন বয়স বিবেচনা করেননি। এই অপরাধীদের কোন অনুকম্পা দেখানোর সুযোগ নেই। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, মৃত্যুদণ্ডই তার প্রাপ্য ছিল। মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ড প্রদানে বয়স কোন বিবেচ্য বিষয় নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করি আবদুল আলীমের সর্বোচ্চ দণ্ডাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা হবে।