চাঁদপুরে স্কুলছাত্রী, সাতক্ষীরায় গৃহকর্মী ধর্ষণের শিকার

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে প্রথম শ্রেণি পড়ুয়া ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম রাজারগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশু ও ধর্ষক কিশোরকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদিকে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক গৃহকর্মীকে (২৩) ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ গৃহকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। উপজেলার জয়নগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে গতকাল শনিবার সকালে কলারোয়া থানায় মামলা করেছে।

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা জানান, ধর্ষক কিশোরের নাম মো. রাব্বি (১৭)। সে পশ্চিম রাজারগাঁও গ্রামের গিয়াস উদ্দিন বেপারী বাড়ির জাফর আহম্মদের ছেলে। রাব্বি এলাকায় টাইলস মিস্তিরির কাজ করে। আর শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শিশুটির বাবা ও মামা জানান, বাড়ির পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে রাব্বি শিশুটিকে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে ফিরে দাদীকে ঘটনাটি বলে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গ্রাম্য চিকিত্সকের কাছে নিয়ে প্রাথমিক চিকিত্সা করায়। ঘটনাটি পুলিশকে জানালে গতকাল দুপুরে থানার উপ-পরিদর্শক সঞ্জয় রায় ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেন। পরে তিনি শিশু ও ধর্ষক রাব্বিকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসেন।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ বলেন, এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। শিশুটির মেডিক্যাল পরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা জানান, ভুক্তভোগী গৃহকর্মী উপজেলার যুগীখালী ইউনিয়নের বামনালী গ্রামের মৃত গোলাপ আলী মোল্যার ছেলে ইমান আলীর বাড়িতে কাজ করে। ইমান আলী তাকে বেশ কয়েকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অবশেষে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরসকাটি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে বিষয়টি সে জানায়। ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ ধর্ষিতাকে সঙ্গে নিয়ে কলারোয়া থানায় যেয়ে গতকাল মামলা দায়ের করেন।

সরসকাটি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আসাদুজ্জামান জানান, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষাসহ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। কলারোয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় এক জনকে আসামি করা হয়েছে। ধর্ষক ইমান আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।