সিংগাইরে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, রাত জেগে পাহারা

সিংগাইরে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি দেখা দিয়েছে । চুরি, ডাকাতি, খুন, ছিনতাই, ব্যাপকহারে বেড়ে গেছে। মাদকের ভয়াবহ রূপ নিয়েছে গোটা সিংগাইরে। বিষাক্ত মদ পানে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে কয়েকজনের। সর্বশেষ গত ২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেছে আজিমপুর গ্রামের আলী (৫০)। এছাড়া অন্ধ হয়ে হাসপাতালে আছেন একই গ্রামের জাহিদ। চিকিত্সা নিয়েছে আরো কয়েকজন। এর আগেও একই গ্রামে মারা গেছে ৩ জন। তারপরও মদ কেনা-বেচা বন্ধ নেই। এছাড়া মাদকপানে এবং মাদক নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিভিন্নস্থানে খুনের ঘটনাও ঘটেছে অন্তত ৫টি। দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। এদিকে ডাকাত আতংকে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে গ্রামবাসী। পুলিশ ডাকাতির মামলা নিতে চান না বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। ডাকাতরা বাড়ির লোকদের হাত-পা বেঁধে মারধর করে আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা জিম্মি করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও বিভিন্ন মালামাল লুটে নিচ্ছে বলে জানা গেছে। সর্বশেষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে গত ৬ অক্টোবর তালেবপুর লিয়াকত আলী খানের বাড়িতে। গ্রামবাসী ও পুলিশ পর দিন ৪ ডাকাত ধরে ফেলে।২৭ সেপ্টেম্বর ডাকাতি হয় চান্দহরে রঘুনাথ সাহার বাড়িতে। ৩ সেপ্টেম্বর ডাকাতি হয় বায়রা আবুল হাসানের বাড়ি। ২৯ জুলাই গোলড়া সড়কে ব্যবসায়ীদের সর্বস্ব লুট করে নেয় ডাকাত দল। দেড় ঘণ্টা পর এখানে আরেকটি ডাকাতি হয়। অভিযোগ, এ পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। ১৪ জুলাই ডাকাতি হয় বিনোদপুর প্রবাসী মো. শামীমের বাড়ি। ১১ জুলাই হয় ঘোনাপাড়া লোকনাথ বসাকের বাড়ি। ৪ জুলাই খোয়ামুড়ি গ্রামে নবীন মিয়ার বাড়ি এবং ্এর কয়েকদিন আগে ডাকাতি হয় চান্দহরে গৌতম ও বিদ্যুত্ সাহার বাড়ি। ডাকাতি আর মাদকে মৃত্যুর কথা কিংবা অন্য যে কোন বিষয়ে জানতে চাইলে এরিয়ে যান এবং কিছুই জানেন না বলে জানান, সিংগাইর থানার ওসি লিয়াকত আলী।