অপহূত হওয়ার পর মুক্ত লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী

অপহূত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আলী জেইদান। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির রাজধানী ত্রিপোলির একটি হোটেল থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অপহরণ করে সাবেক বিদ্রোহীদের একটি দল। পরে প্রধানমন্ত্রীর মুক্তির খবর জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে। খবর বিবিসির। মুক্তির পর প্রধানমন্ত্রী সবাইকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন। তিনি মুক্তিদানকারীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। লিবিয়ায় চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ডো অভিযানে সন্দেহভাজন আল-কায়েদা নেতা আটকের ঘটনার জেরে সাবেক সশস্ত্র বিদ্রোহীরা জেইদানকে কয়েকঘণ্টা আটকে রাখে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। জেইদানকে অপহরণকারী গোষ্ঠীটি জানায়, তারা প্রসিকিউটর জেনারেলের নির্দেশেই প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করে। তবে এ ধরনের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি অস্বীকার করেছে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় বলা হয়, লিবিয়ার অন্তবর্তী সরকারের প্রধান আলী জেইদানকে ভোরে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় একদল বন্দুকধারী। এই অপহরণের কারণও জানা যায়নি। একজন নিরাপত্তারক্ষী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তার কাছে মনে হয়েছে। তবে আরেক নিরাপত্তারক্ষী বলেছেন, কন্দুকধারীরা ছিল লিবিয়ার সাবেক বিদ্রোহী দলের সদস্য। তাত্ক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি লিবিয়া সরকারের কর্মকর্তারা। আইন মন্ত্রীর বরাত দিয়ে আল অ্যারাবিয়া টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, জেইদানকে অপহরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার জেইদান লিবিয়াতে জঙ্গিবাদ বন্ধে পশ্চিমাদের সহায়তা চান। বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, তার দেশ অস্ত্রের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে।