আমাদের জেলার সংবাদপত্র
প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:৫৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার ঐতিহ্য রয়েছে। সভ্যতার বিকাশে এবং সংবাদপত্রের ইতিহাসে ঐতিহ্যের ধারায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামটি উজ্জ্বল। সুদীর্ঘ সময় পেরিয়ে এ জেলায় প্রতিযোগিতামূলক সংবাদ পত্র শিল্পের বিকাশও ঘটেছে। সাংবাদিকতার ড়্গেত্রেও এখানকার সাংবাদিকরা দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। বর্তমানে জাতীয়ভাবে এ জেলার অনেক সাংবাদিক গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে শতাধিক বছর পূর্বে সংবাদপত্র প্রকাশ হয়। ১২০ বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে প্রকাশনার ড়্গেত্রে। বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ২৫/৩০ টি সংবাদপত্র নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
১৮৯৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী বাংলাভাষায় অনুকুল চন্দ্র চক্রবর্তী মাসিক উষা নামক পত্রিকা প্রকাশ করেন, ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত মাসিক হীরার প্রকাশকও ছিলেন অনুকুল চন্দ্র চক্রবর্তী সম্পাদনা করেন ব্রজেন্দ্র চন্দ্র বর্ধন।পরে জয়ন্ত্মী নামক একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ১৯০৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জুবিলী প্রেস থেকে পাড়্গিক প্রজাবন্ধু পত্রিকা প্রকাশ হয়। ১৯২০ সালে রমনী মোহন চক্রবর্তীর সম্পাদনায় সরাইল কালিকচ্ছ থেকে শিক্ষা বিষয়ক পলস্নী প্রদীপ নামক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এছাড়া ১৯২০ সালে পাক্ষিক প্রজাবন্ধু প্রকাশিত হয়।১৯২৩ সালে সরাইলের চুন্টা গ্রাম থেকে অপূর্ব চন্দ্র ভটাচার্যের সম্পাদনায় চুৃন্টা প্রকাশ নামক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় রায়ত বন্ধু।একই সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানার সুলতানপুর থেকে সন্ত্মান নামক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এর প্রকাশক সম্পাদক ছিলেন আইনজীবি রামকানাই দত্ত। ১৯৫৭ সালে সাপ্তাহিক সেবক প্রকাশিত হয় এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন সামিউল আহমেদ খান। ১৯৬৪ সালের ১৪ এপ্রিল অধ্যড়্গ মিন্নাত আরীর সম্পাদনায় পাড়্গিক পরিচয় প্রকাশিত হয়। ১৯৬৫ সালের ১ লা আগস্ট মোঃ নূরম্নল হোসেন এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক তিতাস নামক সংবাদপত্র। এ সময়ে সাপ্তাহিক প্রতিনিধি নাক পত্রিকাও প্রকাশিত হয়। ১৯৬৯ সালে সমাজ নামক একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৬৯ সালে পাড়ি নামক একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৬৬ সালে মাহবুবুল করিম এর সম্পাদনায় ত্রিধারা ,১৯৬৮সালে মুহম্মদ মুসা ও মুহম্মদ সিরাজ এর সম্পাদনায় মসিক সাহিত্য পত্রিকা ভেলা, ১৯৬৭ সালে স্ফ্থলিঙ্গ, ১৯৬৯ সালে কালীকচ্ছ থেকে সূর্য শপথ প্রকাশিত হয়। ১৯৬৯ সালে কবি জমিলা বেগম এর সম্পাদনায় মাসিক মা নামক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ১৯৭০ সালে ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এর সম্পাদনায় বর্নমালা প্রেস থেকে সাপ্তাহিক প্রতিনিধি প্রকাশিত হয়। ১৯৭০ সালে আবদুর রহমান শামশেরীর সম্পাদনায় কথা সুর নামক একটি সঙ্গীত বিষয়ক সংকলন প্রকাশিত হয়। ১৯৮৪ সালে কবি জয়দুল হোসেন এর সম্পাদনায় সাহিত্য একাডেমী পত্রিকা, স্বকাল, ১৯৮৫ সালে মনজুরুল আলম সম্পাদিত নবান্ন, ১৯৮৬ সালে আল আমীন শাহীন সম্পাদিত কচি কল্লোল,শোয়েব চৌধুরী রেঁনেসা,রত্না দে সম্পাদিত সপ্তস্বর, আবদুল মতিন সানু সম্পাদিত বলিতে ব্যাকুল, ইব্রাহিম খান সাদাত সম্পাদিত আবিষ্কার , অধ্যাপক মহিবুর রহিম এর প্রতিভাস, অধ্যাপক মোহাম্মদ আশরাফ সম্পাদিত সাহিত্য লোক, ২০০১ সালে এইচ এম সিরাজ সম্পাদিত সৃজন, আশিকুল ইসলাম সম্পাদিত অরুণিমা সহ ড়্গ্যাপা বৈশাখী, রক্তপলাশ , রড়্গমাখা ফেব্রম্নয়ারী, ফাল্গুনী একুশ, নতুন একুশ, রড়্গড়্গরা, চেতনার একুশ, শোষিতের একুশ, চেতনা-মা, রক্খাক্ত ফাল্গুন, অমর একুশ, প্রহূষ্ট মাসিক ঝড়,রক্তিম সূর্য, রক্খস্রোত, ্রকশি, রক্ত আসরে, বাংলা আমার বাংলা, প্রবাহ,সোচ্চার, উত্তর প্রবাহ, স্রোত, শিশু মন, উল্লাস, স্রোত, বিপ্লব ও বৃস্টির কবিতা, সংসপ্তক, মান্দাস, কালান্তর,আবিস্কার, আনন্দ প্রবাহ স্বজন মেলা, সূর্যোদয়, মুক্ত প্রজন্ম, উত্তরণ, ধুমকেতু, মনন, উন্নত শির ইত্যাদী পত্রিকা সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। স্বাধীনতা অর্জনের পর নিয়মিত সংবাদ পত্রের মধ্যে মোঃ নূরম্নল হোসেন এর প্রকাশনায় সম্পাদনায় সাপ্তাহিক তিতাস ছিল উল্লেখযোগ্য নিয়মিত পত্রিকা।