চাঁদপুরের ৩৫ গ্রামে আগামীকাল ঈদ

জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৩৫ গ্রামে আগামীকাল মঙ্গলবার ঈদ-উল আজহা পালিত হবে। ৩০ বছর আগে থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে মুসলমানদের প্রধান ২ ধর্মীয় উত্সব ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আজহা এ গ্রামগুলোতে পালিত হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে প্রথম সাদ্রা গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন শুরু হয়। এ গ্রামের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক এই নিয়ম চালু করেন। এরপর থেকে আশপাশের গ্রামের লোকজন তার অনুসারী হয়ে পড়েন। চাঁদপুরের মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা আশ্রাফ আলী, মুফতি বি. এম. মোস্তফা কামাল, মাওলানা মো. সাইফুল ইসলাম ও মাওলানা খাজা মো. জুবায়ের আহমেদ বলেন, সাদ্রার পীর মাওলানা ইসহাকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৮৩ সাল থেকে এভাবে ঈদ পালন করা হচ্ছে। এছাড়া এটি কোনো বিতর্কিত বিষয় নয়। মাওলানা ইসহাকের বড় ছেলে মাওলানা আবু জুফার বলেন, আগাম ঈদ সম্পর্কে মাওলানা ইসহাকের সাথে ফুরফুরা পীর আবু বকরের একাধিকবার বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু এ বিষয়টি পর্যালোচনা করে কোন সমাধান হয়নি। পরে ফুরফুরার পীর আমাদের ঈদ পালন করতে বলেন। আগাম ঈদ পালন করা ৩৫ গ্রামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রামগুলো হলো- হাজীগঞ্জের সাদ্রা, বলাখাল, রামপুর, অলিপুর, রামচন্দ্রপুর, ফরিদগঞ্জের বাশারা, শোল্লা, চৌরাঙ্গা, গড়িয়ানা, মুন্সীরহাট, কাইতাড়া, নুরপুর, মূলপাড়া, বদরপুর, প্রতাপপুর, মহেশপুর, তেলিসাইর, উভারামপুর, সুরঙ্গচাল, সাচনমেঘ, মতলবের পাঁচানি, সাড়ে পাঁচানি, এখলাসপুর এবং কচুয়া ও শাহরাস্তির কয়েকটি গ্রাম। এছাড়া চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ মতালম্বীরা আগাম ঈদুল আজহা উদযাপন করবে।