পর্যাপ্ত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নেই বাগেরহাটে
নিহার রঞ্জন সাহা, বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০১৩, ২২:১৮
উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে এখনও পর্যাপ্ত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রায় সাড়ে ষোল লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই জেলার অধিকাংশ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্যোগ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। জেলায় বর্তমানে মোট ২০১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী দুর্যোগকালীন সময়ে এসব কেন্দ্রে পৌনে দুই লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারে।
নয়টি উপজেলার মধ্যে উপকূলীয় চারটি উপজেলায় দুর্যোগ ঝুঁকি সব থেকে বেশি। উপজেলাগুলো হচ্ছে শরণখোলা, মংলা, মোরেলগঞ্জ ও রামপাল। এই চারটি উপজেলার লোকসংখ্যা প্রায় পৌনে আট লাখ। এখানকার অন্তত অর্ধেক জনসংখ্যার জন্য চার শতাধিক ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র প্রয়োজন। কিন্তু এই চার উপজেলায় বর্তমানে ১৬৩টি সরকারি বেসরকারি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে।
নয়টি উপজেলার মধ্যে শরণখোলা উপজেলায় ৭৪টি, মংলা উপজেলায় ২৮টি, মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ৩৯টি, রামপাল উপজেলায় ২২টি, বাগেরহাট সদর উপজেলায় ৬টি, কচুয়া উপজেলায় ৭টি, ফকিরহাট উপজেলায় ২টি, মোল্লাহাট উপজেলায় ৭টি এবং চিতলমারী উপজেলায় ১৬টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মুহাঃ শুকুর আলী জানান, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট কোন সরকারি নীতিমালা নেই। ফলে জেলার কোন এলাকায় কতটি সাইক্লোন শেল্টার প্রয়োজন সে বিষয়ে আমাদের কাছে কোন হিসেব নেই।