গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি সংক্রান্ত নতুন বৈঠক ২৭ অক্টোবর

গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য মালিকপক্ষের পুন:নির্ধারিত প্রস্তাব গতকালের বৈঠকে দেয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য তারা আরো তিনদিন সময় চেয়েছেন। আগামী ২৭ তারিখের বৈঠকে কমিটির সদস্যরা সম্মত হলে তা খসড়া আকারে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। গতকাল সভা শেষে ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে রায় উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঈদ, পূজা ও বাটেক্সপো’র কারণে বিজিএমইএ’র নেতারা বৈঠকে বসতে পারেননি। শ্রমিকদের জন্য গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণের জন্য তারা আরো তিনদিনের সময় চেয়েছেন। মজুরি বোর্ডে বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি আরশাদ জামাল দিপু বৈঠক শেষে ইত্তেফাককে বলেন, ‘আমাদের নতুন প্রস্তাব প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তবে ছোটখাটো কয়েকটি বিষয় নিয়ে সরকার পক্ষের সাথে কথা বলতে হবে। আমরা চাইব আমাদের প্রস্তাবের সাথে সরকার পক্ষের প্রস্তাবে যাতে ব্যাপক তারতম্য না হয়। এজন্য আগামী তিনদিনের সময় চেয়েছি।’ তিনি বলেন, আমাদের নতুন প্রস্তাবে শ্রমিকদের মূল মজুরি তুলনামূলক বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব থাকবে। এতে ওভারটাইম কাজের জন্য তারা বেশি পাবেন। এছাড়া যাতায়াতের সাথে খাদ্য ভর্তুকি দেয়ার ক্ষেত্রে সব কারখানা যাতে একই নিয়মের আওতায় আসে সেই প্রস্তাব থাকবে। মজুরি বোর্ডের পূর্বের বৈঠকে শ্রমিক পক্ষ ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার ১১৪ টাকা করার প্রস্তাব দেয়। আর বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে মজুরি বর্তমানের ৩ হাজার টাকার সাথে আরো ৬শ’ টাকা যোগ করে ৩ হাজার ৬শ’ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়। ২০১০ সালে সর্বশেষ ন্যূনতম মজুরি ১ হাজার ৬৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা করা হয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকরা বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে কম মজুরি পায় বলে বিশ্ব্যব্যাপী প্রচারণা রয়েছে।