খালেদা জিয়ার রূপরেখা ভারসাম্যপূর্ণ :বি. চৌধুরী

বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিরোধী দলীয় নেতা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে রূপরেখা দিয়েছেন তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে এই প্রস্তাব ইতিবাচক হিসেবে সরকারের গ্রহণ করা উচিত। বি. চৌধুরী গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে রূপরেখা দিয়েছেন তা ভারসাম্যপূর্ণ এবং অত্যন্ত নিরপেক্ষ। আমি এই রূপরেখার সঙ্গে একমত পোষণ করে এর প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি। আমি আশা করি, দেশের এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে এই প্রস্তাব ইতিবাচক হিসেবে সরকারের গ্রহণ করা উচিত। রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও জাতীয় সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন বলেন, খালেদা জিয়ার প্রস্তাব হাস্যকর। কারণ ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে উভয় নেত্রীই বিরূপ ও হাস্যকর মন্তব্য করেছেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধান সংশোধন করা দরকার। খালেদা জিয়ার এই প্রস্তাব গণতন্ত্রের পথকে অবরুদ্ধ করবে। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, খালেদা জিয়ার বক্তব্যের বেশ কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট নয়। তবে বরাবরের মতো দুই নেত্রীর অবস্থানের পার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে। বিদ্যমান সংকট নিরসনের জন্য তিনি যে ফর্মুলা দিয়েছেন তা আলোচনা করা যেতে পারে। তবে তার প্রস্তাবই চূড়ান্ত নয়। দেশে শুধু বিএনপিই বিরোধী দল নয়। সব দলের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসতে হবে। এক্ষেত্রে এক মুহূর্তও বিলম্ব করা উচিত হবে না। আ স ম আবদুর রব জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, খালেদা জিয়ার প্রস্তাবের মত একটি প্রস্তাব আগেও ছিল। তাতে সংকট দূর হয়নি। সরকারও এটি মানবে বলে মনে হয় না। কাদের সিদ্দিকী কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে, নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রী পরিষদ বা উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে প্রধান সমস্যা নয়। মূল সমস্যা হলো- ঐ সরকারের প্রধান কে হবেন, তা নিয়ে। এ অবস্থায় খুব দ্রুতই আলোচনায় বসা প্রয়োজন। শেখ শহিদুল ইসলাম জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়ার বক্তব্য পুরো পাওয়ার পরই প্রেসিডিয়ামের সভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হবে। মাহমুদুর রহমান মান্না নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, খালেদা জিয়ার জায়গা থেকে তিনি খুবই চমত্কার বক্তব্য দিয়েছেন। এই বক্তব্য সমাধানের দিকে এগুবে না।