আদালত অবমাননা
জবাব দিতে ৪ সপ্তাহ সময় পেলেন খন্দকার মাহবুব
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৪৪
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনকে ট্রাইব্যুনালের জারি করা আদালত অবমাননার নোটিসের জবাব দিতে আরো চার সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার খন্দকার মাহবুব হোসেনের পক্ষে এডভোকেট জয়নুল আবেদীন আদালত অবমাননার অভিযোগের জবাবের জন্য চার সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করেন। খন্দকার মাহবুব হোসেনের ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে করা এ আবেদনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সুলতান মাহমুদ। পরে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ২০ নভেম্বর এ বিষয়ে লিখিত জবাব দেয়ার জন্য দিন ধার্য করেন। খন্দকার মাহবুব হোসেনের পক্ষে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এডভোকেট জামিল আক্তার এলাহী, এম তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপিকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যের প্রেক্ষিতে খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ঐ সাংবাদিক সম্মেলনে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এই বিচারটি একটি প্রহসনের বিচার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিচার। ইনশাল্লাহ জাতীয়তাবাদী শক্তি যদি ক্ষমতায় আসে, সত্যিকার অর্থে যারা যুদ্ধাপরাধী, তাদের বিচার হবে এবং নির্দোষ ব্যক্তিরা প্রতিহিংসার জন্য যাদের বিচার করা হয়েছে, কাল্পনিক গল্প দিয়ে যে মামলা তৈরি করা হয়েছে, অবশ্যই সেটা চলে যাবে। এ বক্তব্যের পর ৩ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানির পর ৬ অক্টোবর নোটিস জারি করে ট্রাইব্যুনাল।
এদিকে, খন্দকার মাহবুব হোসেনের পক্ষে ২৫ থেকে ৩০ জন আইনজীবী ট্রাইব্যুনালে প্রবেশ করতে চাইলে গতকালও গেট থেকে পাস দেয়া নিয়ে হৈচৈ হয়। ট্রাইব্যুনাল প্রথম দিকে ছয়জন আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালে প্রবেশের অনুমতি দেয়। কিন্তু সকল আইনজীবীকে প্রবেশের সুযোগ না দেয়ায় খন্দকার মাহবুব হোসেনের পক্ষের আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনালের গেটেই অবস্থান করতে থাকেন। পরে ট্রাইব্যুনালের অনুমতিতে তারা প্রবেশ করে।