মুরাদনগরে ২৭টি স্কুলের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলায় ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনকে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চি?িহ্নত করেছে উপজেলা প্রকৌশলী। এসব পরিত্যক্ত ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পড়ালেখা করছে প্রায় ৫ হাজার কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী, যাদের জীবনে যে কোন সময়ে ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জরাজীর্ণ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলো হলো- আলীরচর, স্বল্পা, হোসনাবাদ, ফুলঘর, গনিপুর, সাহেবনগর, রোয়াচালা, কালারাইয়া, সোনারামপুর, কমলপুর, কচুয়ারপাড়, শুশুন্ডা, নরসিংহপুর, নোয়াকান্দি, বড়িয়াচারা, কামাল্লা, কৃষ্ণপুর, সুবিলারচর, মুরাদনগর, রাজনগর, কুরুন্ডী, ঘোড়াশাল, বল্লভদী, কাজিয়াতল বড়পাড়া, মাধবপুর, কুড়েরপাড় ও মকলিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে মকলিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের অর্ধেক অংশ পুকুরে চলে গেছে। এসব ভবনগুলোর দেয়াল, দরজা, মেঝে, প্লাস্টার, ছাদ সব ঝুঁকিপূর্ণ। ১৯৯৪ সালের পর এসব ভবনগুলোতে আর কোন সংস্কার কাজ হয়নি। উক্ত বিদ্যালয়গুলোতে গড়ে ২৭০ জন করে ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করছে। মুরাদনগর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, ২০১০ সালের শেষের দিকে উপজেলা প্রকৌশলী সরেজমিন পরিদর্শন করে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলো পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য জেলা কমিটির কাছে পাঠায়। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবনগুলোর নাম উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রতিবেদন গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস সাজেদা সুলতানা জানান, মুরাদনগর থেকে পাঠানো জরাজীর্ণ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চি?িহ্নত বিদ্যালয় ভবনের প্রতিবেদনটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।