দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক ঘটনায় ৬ জনের অপমৃত্যু

নেত্রকোনা ও বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক ঘটনায় ছয়জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। —খবর ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের। নেত্রকোনা নেত্রকোনার শহরতলীর আনন্দবাজারের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে গতকাল বুধবার সকালে আবুবকর সোহাগ (১৭) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করের নেত্রকোনা সদর থানার পুলিশ। সে মৃত তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র। তার পকেটে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, লেখা রয়েছে, ‘আমার মৃতুর জন্য কেউ দায়ী নয়’। বগুড়া বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার খিহালী মধ্যপাড়া গ্রামে গতকাল বুধবার সকালে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে জাবেদ আলী আকন্দ (৪৫) ও কমেলা বেগম (৩৫) নামে স্বামী স্ত্রী মারা যান। জানা যায়, বাড়ির পাশের মাঠে জমির আইলে ঘাস কাটতে গিয়ে গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক সংযোগের ছেঁড়া তারে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই মারা যান জাবেদ। জাবেদ বাড়িতে না ফেরায় স্ত্রী কমেলা তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে নিজেও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। ফুলপুর (ময়মনসিংহ) ফুলপুর উপজেলার ঠাকুর বাখাই পশ্চিমপাড়া গ্রামে গত মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে হাফেজ রুহুল আমিনের পুত্র হাবিবুল্লা (২৪) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বড়পায় এএসবিআর রড মিলের শ্রমিক হাবিবুল্লা মিলের বাথরুমে বিদ্যুত্পৃষ্ট হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন। সৈয়দপুর (নীলফামারী) সৈয়দপুর উপজেলার আইসঢাল জুম্মাপাড়া গ্রামে গতকাল বুধবার সকালে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে আব্দুল হামিদের পুত্র শহিদুল ইসলাম (২২) নামে একজনের মৃত্যু হয়। রংপুর পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২ বিল বকেয়া থাকার কারণে বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় কিছুদিন আগে। বিদ্যুত্ খুঁটিতে উঠে সংযোগ দেয়ার সময় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। বড়াইগ্রাম (নাটোর) বড়াইগ্রাম উপজেলার তারানগর গ্রামে বুধবার সকালে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে এসকেন্দার আলী মুহুরীর ছেলে শিমুল হোসেন (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়। সে বড়াইগ্রাম কারিগরি অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র। পাশের বাড়ির ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়।