বাংলাদেশ ও তুরস্কের মৈত্রীর সেতু বন্ধন

কামাল আতাতুর্ক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

১৯৩৯ সালে ফেনী জেলার দাগনভূঁঞা উপজেলার কেন্দ্রস্থলে আতাতুর্ক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ তুরস্কের মৈত্রীর এক অবিচ্ছেদ্য সেতু বন্ধন রচনা করেছে। তুরস্কের জাতীর পিতা কামাল আতাতুর্কের নামেই মৈত্রীর নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়। কামাল আতার্তুক শুধু তুরষ্কের নয় তিনি সারা বিশ্বের মুসলিম জাতীর সেবায় নিজেকে উত্সর্গ করে বিশ্বনন্দিত হয়েছেন। তুরস্ক সরকারের আর্থিক অনুদানে কামাল আতাতুর্ক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় আজ আদর্শ নাগরিক গঠনে উচ্চতর শিখরে আরোহণ করেছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে তিন সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ও ৫০ জন শিক্ষক কর্মচারী রয়েছে। ১৯৮১ সালে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মতিন সেরমান ও তুর্কী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইলতার তার্কম্যান স্কুল পাঠ পরিদর্শনে এলে প্রাক্তন ছাত্র হাবীবুল্লাহ, মজিবুল হায়দার চৌধুরী, মজিবুর রহমান চৌধুরীর ভূমিকায় বিদ্যালয়ের উন্নয়নে তুরস্ক সরকারের আর্থিক সাহায্য লাভ করে প্রতিষ্ঠানটি। তুরস্কের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট বেনান এভরান ১৯৮২ সালের ২৪ শে ডিসেম্বর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে এর ভবন নির্মাণ ও আর্থিক অনুদান দিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করেন ।