মত্স্য শিকারে জেলেদের প্রস্তুতি
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০১৩, ২০:২৩
প্রজনন মৌসুমে ১৩ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১১ দিন মেঘনায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উল্লেখিত সময়কালে সরকার ঘোষিত ও চিহ্নিত উপকূলীয় এলাকার চারটি প্রধান ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রসহ সারা দেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। অবরোধ শেষে জেলেরা আবার মেঘনায় মাছ শিকারের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। দীর্ঘ ১১ দিন অলস সময় পার করে নৌকা জাল নিয়ে পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেয়ার জন্য আবারও ব্যস্ত হতে দেখা গেছে জেলেদের। অনেক জেলেদের দেখা গেছে, অবরোধের সময় জাল বুনতে ও ট্রলার মেরামত করতে। মৌসুমের প্রায় শেষ সময় এসেও মেঘনায় প্রচুর মাছ ধরা পড়বে এই আশা বুকে ধারণ করে জেলেরা পুরো উদ্যমে মেঘনায় ইলিশ শিকারে নামছে। উপজেলায় প্রায় ৩০ হাজার জেলে মত্স্য শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে।
যমুনা নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে মা ইলিশ মাদারগঞ্জ (জামালপুর) সংবাদদাতা জানান, জামালপুরের মাদারগঞ্জ ও বগুড়ার সীমান্ত সংলগ্ন যমুনা নদীতে প্রতিদিন ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে মা ইলিশ। প্রতিকেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩শ’ টাকায়। প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ মণ ইলিশ ধরা হচ্ছে। যমুনা নদীতে কারেন্ট জাল পেতে জেলেরা প্রতিদিন মাছ শিকার করছে। মাছ শিকারীরা জানান, এবার এতো ইলিশ ধরা পড়বে তা জানা ছিল না।