পদ্মায় স্পিডবোট-ট্রলার সংঘর্ষ
শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার
শিবচর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৫২
মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে স্পিডবোট ও ট্রলার সংঘর্ষের ঘটনায় নিখোঁজ এক স্কুল শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসহ ৩ জনের লাশ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে মহসিন বেপারির একটি স্পিডবোট যাত্রী বোঝাই করে মাওয়ায় রওনা দেয়। স্পিডবোটটি আল আমিন নামের ১৪ বছর বয়সী এক শিশু চালাচ্ছিল। স্পিডবোটটি নৌরুটের শিবচরের কাঠালবাড়ির হাজরা টার্নিংয়ে পৌঁছালে বিপরীতমুখী একটি ট্রলারের সাথে ধাক্কা লেগে সেটি ডুবে যায়। তাত্ক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষ জানায় সকল যাত্রীই সাঁতরে তীরে উঠে গেছে। কিন্তু নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা বুধবার বিকেল থেকে তাদের খোঁজে পদ্মা নদীতে তল্লাশি চালায়। বুধবার গভীর রাতে নদী থেকে ওয়ালিদ রহমান (৩০) নামে এক স্কুল শিক্ষকের লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা। বৃহস্পতিবার সকালে পদ্মা নদীর মাঝিকান্দি এলাকা থেকে স্টাম্পফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সেমিস্টারের ছাত্র সেজানুর রহমান সুমন (২২) ও মজিবুর খানের (৪০) লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওয়ালিদ নড়াইল জেলার লোহাগড়ার ধোকাদহ গ্রামের হারুন সিকদারের ছেলে। তিনি দোহারের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। নিহত সেজানুর একই উপজেলার পাটুরিয়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের একমাত্র ছেলে। নিহত মজিবুর ফরিদপুরের ভাঙ্গার চরদোয়াইর গ্রামের জমির খানের ছেলে। তারা ৩ জনই ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছিল।
নিহত সেজানুরের কাকা ফিরোজ হোসেন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ছোট এক শিশু স্পিডবোট চালানোয় দুর্ঘটনায় ৩ জন মারা গেল। অথচ কারো কোন ভ্রূক্ষেপ নেই।