ঢাকায় কয়েকজন মন্ত্রী এমপি’র বাড়িতে ককটেল হামলা
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০১৩, ২২:২৮
কয়েকজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্যের বাড়ি, একটি পুলিশ স্টেশন ও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া গাড়ি ও বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৮ দলের মহাসমাবেশ শেষে রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সচিবালয়ের পাশে হোটেল কস্তুরীর সামনে, মত্স্যভবন, শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেট, বাংলাদেশ বেতারের সামনে ও হাইকোর্ট মোড়ে ককটেলের বিস্ফোরিত হয়। সেগুনবাগিচায় একটি পার্কিং করা গাড়ি ও কাওরানবাজারে মিরপুরগামী ইটিসি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শুক্রবার রাত আটটার দিকে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত উত্তরা পশ্চিম থানা লক্ষ্য করে কে বা কারা দুইটি ককটেল ছুঁড়ে মারে। ককটেল দুইটি থানার ভবনের দেয়ালে লেগে প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরিত হয়।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাড়িতে বোমা হামলা : শুক্রবার ভোরে জিগাতলার ৪৬/৩ নম্বর বাড়ি লক্ষ্য করে কে বা কারা পরপর দুইটি ককটেল ছুঁড়ে মারে। এই বাড়িতে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত থাকেন। ককটেল হামলা চালানোর সময় তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একটি মোটর সাইকেলে করে দুই অজ্ঞাত যুবক ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাড়ি লক্ষ্য করে দুইটি ককটেল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। এর একটি ককটেল বাড়ির প্রবেশ গেটে প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরিত হয়। অপরটি বাড়ির ভিতরে বারান্দায় পড়ে বিস্ফোরিত হয়। ঘটনার পরপর মন্ত্রীর বাড়িতে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, যারা দা-কুড়ালের রাজনীতি করে, তারাই তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। জামায়াত-শিবির এর আগেও তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল। ঐ চক্রটি এ হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এছাড়া শুক্রবার সকাল ১০টায় ধানমন্ডির এক নম্বর রোডে বিএনপির মানবাধিকার সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীমের শ্বশুর বাড়ি লক্ষ্য করে কে বা কারা দুইটি ককটেল নিক্ষেপ করে। শুক্রবার রাতে পল্লবীতে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের (উত্তর) সাধারণ সম্পাদক শাহিদা তারেক দিপ্তীর বাসায় একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার বাসার পিয়ন মো. ইমান আলী আহত হয়েছেন।