নির্ধারিত সময়েই ফেডারেশন কাপ

রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলেও ৪ নভেম্বর থেকে ফেডারেশন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা মাঠে গড়ানোর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পেশাদার লিগ কমিটি। গতকাল বিকালে বাফুফের লিগ কমিটির সভা শেষে সংবাদ মাধ্যমকে লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী আরো জানান, এর আগে ১ নভেম্বর প্রতিযোগিতার ড্র অনুষ্ঠিত হবে। ফেডারেশন কাপের পর পেশাদার লিগ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সব কিছুই নির্ভর করছে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর। কারণ বাফুফের লিগ কমিটি খেলা আয়োজন করতে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। তারপরও আপাতত তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান। তিনি এ ব্যাপারে ক্লাবগুলোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বাস্তবতা উপলব্ধি করারও আহবান জানিয়েছেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কমিটির কর্মকর্তা আবদুর রহীম, ক্লাব প্রতিনিধি আব্দুল গাফফার, সত্যজিত দাস রূপুসহ অন্যরা। ফেডারেশন কাপ ফুটবলে পেশাদার লিগের ১০ ক্লাবের সাথে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের সাত ক্লাব অংশগ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত পেশাদার লিগের ১০ ক্লাব ছাড়াও চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের একটি ক্লাব রহমতগঞ্জ শুধু নাম এন্ট্রি করেছে। বিকেএসপি খেলতে আগ্রহী। তবে সাথে পুলিশ ফুটবল দলও যদি নাম এন্ট্রি দেয় তাহলে দুই দলের মধ্যে একটি প্লে-অফ ম্যাচ আয়োজন শেষে বিজয়ীদের ফেডারেশন কাপ ফুটবলে নেয়া হবে, সাথে রহমতগঞ্জ তো থাকছেই। এই ১২ দলকে চার গ্রুপে ভাগ করে খেলাগুলো শুরু করা হবে। কিন্তু ফাইনাল ম্যাচটি কবে হবে জানতে চাইলে সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারিখ নির্ধারণ করতে পারব। তাছাড়া আমরা তো ড্র অনুষ্ঠান করছি। আশা করি, সেদিনই ফাইনালের তারিখটা জানিয়ে দিতে পারব।’ লিগ কবে শুরু হবে— জানতে চাইলে তিনি আবারও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা তো ফেডারেশন কাপ ফুটবল শেষ হওয়ার পর ৭ থেকে ১৫ দিন সময় নিব। এরপরই লিগ মাঠে গড়াতে চাই। যদি তখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে তাহলে প্রথম রাউন্ড থেকে খেলা শুরু হবে। আর না হলে তৃতীয় রাউন্ডের খেলাগুলো শেষ করে ফেলব। অর্থাত্ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের খেলাগুলো হতে থাকবে।’ এদিকে ২৬ অগস্ট খেলোয়াড় দলবদলের সময় শুরু হলেও গতকাল পর্যন্ত একজন ফুটবলারও রেজিস্ট্রেশন করায়নি কোনো ক্লাব। আগামী ৩০ অক্টোবর শেষ হচ্ছে দলবদলের সময়সীমা। কিন্তু খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে না কেন? এ প্রসঙ্গে সাবেক তারকা ফুটবলার সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘কন্যা বিয়ে দেয়ার সব প্রস্তুতি শেষ হয়ে আছে। সময় হলেই বাকিটাও হয়ে যাবে। আপনারাও জানেন, ক্লাবগুলো তাদের পছন্দের খেলোয়াড় চূড়ান্ত করে রেখেছে। সব কিছুই নির্ভর করছে পরিস্থিতির উপর।’