রাজশাহীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেহাল দশা:হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

কোরবানির বর্জ্যসহ রাজশাহী মহানগরীর গৃহস্থালির বর্জ্য অপসারণে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখনো মহানগরীর অনেক এলাকায় কোরবানির বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারিত না হওয়ায় ছড়ানো দুর্গন্ধ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসী জানান, প্রতিবছর কোরবানির বর্জ্য অপসারণের পর বর্জ্যের স্থানে ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলনের পানি ছিটিয়ে পরিষ্কার করা হয়। কিন্তু এবার অনেক এলাকায় সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারিত হয়নি। আবার কোনো কোনো এলাকায় বর্জ্য অপসারণের পর সঠিকভাবে ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলনের পানি ছিটানো হয়নি। ফলে কোরবানির বর্জ্য থেকে জনস্বাস্থ্য বিরোধী দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ঈদের দিন রাস্তা ও ড্রেনের ধারে যে যেখানে পেরেছে পশু কোরবানি করেছেন। ওইসব পশুর বর্জ্য অপসারণে অগ্রিম প্রস্তুতি থাকে রাসিকের। কিন্তু এবার প্রস্তুতিতে গাফিলতি পরিলক্ষিত হয়। ঈদের দিন বিকালে মুষলধারে বৃষ্টি রাসিকের বর্জ্য অপসারণ অনেকটা সহজ করেছিল। তবে বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত কর্মীদের গাফিলতির কারণে অনেক এলাকায় বুধবার পর্যন্ত কোরবানির বর্জ্য দেখা যায়। ওইসব বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অনেকে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। তবে রাসিকের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান কামরু সাংবাদিকদের বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে রাসিক বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। ৩০টি ওয়ার্ডে ৯টি ভ্যানের মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণ করে সেকেন্ডারি পয়েন্টে ফেলা হয়েছে।