পথে-ঘাটে
প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:২৯
- টেলিফোন নাটক চলছে।
- এখন প্রতিদিন একটা করে নতুন নাটক হবে।
- আরে প্রতিদিন না। প্রতিক্ষণ। প্রতিমুহূর্তে পরিস্থিতি চেঞ্জ হবে। আর আমরা আগেরগুলো সব ভুলে যাব। সবসময় নতুন নতুন নাটক দেখার জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে।
নীলক্ষেতে তেহেরীর দোকান। একতলা উচ্চতায় দোতলা হোটেল। অন্যদিনের তুলনায় ভিড় একটু কম। অন্তত ঘাড়ের উপর আর কেউ নেই। দুপুর পার হয়েছে। প্রায় সাড়ে তিনটা বাজে। কয়েকজন তরুণ তাদের দুপুরের খাওয়া সেরে নিচ্ছেন। খাওয়া আর কথা একসাথে চলছে। এই তরুণদের কথায় আড়ি পাতলে শোনা গেল তাদের নিজস্ব মত।
- শেখ হাসিনা যদি সত্যিই ফোন করে তবে হরতালটা আর হবে না।
- সম্ভাবনা আছে হরতাল তুলে নেয়ার।
- কোন সম্ভাবনা নেই। হরতাল হবেই। টেলিফোন হলেও হরতাল হবে। হরতাল বাদ দেবে না। কারণ হরতাল বাদ দেয়ার মত কোন ফলপ্রসূ আলোচনা হবে না।
- হরতাল তুলুক বা না তুলুক তাতে কি যায় আসে।
- আজই তো হরতাল হয়ে গেল। রাস্তায় মানুষ আছে? হরতাল তুলে নিলেও কি মানুষ আর বের হবে?
- দেখা যাক। আমরাতো শুধু দেখার মানুষ। তারা তাদের ইচ্ছেমত করবে আর আমরা দেখে যাব।
- হরতাল হলেই ভাল। রিক্সায় করে ঢাকার সব রাস্তায় যাওয়া যায়। ফাঁকা রাস্তায় ঘুরতে ভালই লাগে।
- তুমি তো দুজন মিলে ঘুরবা ফাঁকা রাস্তা তোমার ভালই লাগবে।
- রাস্তায় প্যা পু নেই। সময় ধরে ইচ্ছেমত যাওয়া আসা যায়।
- এই খেলা যে কবে শেষ হবে বোঝা যাচ্ছে না।
- মাঠ দখলের রাজনীতি চলছে।
- যে যার অবস্থান থেকে মাঠ দখলের খেলা খেলছে। মাঠ দখল করার চেষ্টা করছে।
- কে যে কি দখল করতে পারছে তা কিন্তু আমরা বুঝতে পারবো না। তবে দখল যে কিছু একটা করছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
- খালেদা জিয়ার যাওয়া উচিত নির্বাচনে। জরিপে তো দেখেছেই যে বিএনপি অনেক ভোট পাবে। তবে ভয় কেন? হিম্মত দেখানো উচিত।
- সারা জীবন দুজন দুজনের মুখ দেখলো না আর এখন দেখা করবে?
- দুজনের দেখা হলে মারামারি করবে না তো?
- আলোচনার সময় দুজনের টেবিল দূরে দূরে দিতে হবে। যাতে কেউ কাউকে হাতে না পায়।