খুলনায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপির ১০ নেতাকর্মী আহত

গতকাল শনিবার বিকালে নগরীর দৌলতপুরে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও গুলিতে ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি জামাল হোসেন আহত এবং দৌলতপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন তোতনসহ ১০/১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, বিকাল ৪টার দিকে দৌলতপুর থানা বিএনপি হরতালের সমর্থনে নগরীর দৌলতপুর মুহসিন মোড় থেকে মিছিল বের করে বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিল। এসময় মিছিলে বাধা দিলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ মিছিলে লাঠিচার্জ করে। দু’ পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে পুলিশ গুলি ছুঁড়ে। এসময় বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ৫-৬টি গাড়ি ভাংচুর করে। আহতদের নগরীর বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (খালিশপুর জোন) মোঃ জয়নুদ্দিন বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ২ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ৮/১০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়েছে। এসময় গোটা এলাকায় চরম আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে, তিন দিনের হরতালের সমর্থনে বিকালে ১৮ দলীয় জোট নগরীর কেডিঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেছে। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এমপি। এতে বক্তৃতা করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এম নূরুল ইসলাম, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেসিসির মেয়র মনিরুজ্জামান মনি প্রমুখ। সমাবেশ শেষে হরতালের সমর্থনে নগরীতে মিছিল বের করা হয়।