সংঘর্ষ ভাংচুর গুলি ট্রেনে আগুন
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৪৭
হরতালের প্রথম দিন গতকাল রবিবার দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, বগুড়া, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, বরগুনা, সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষে অর্ধশত ব্যক্তি গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে কয়েকশ’। গ্রেফতার করা হয়েছে শতাধিক নেতাকর্মীকে। এসময় অসংখ্য যানবাহন ও রাজনৈতিক দলের অফিস ভাংচুর করে হরতাল সমর্থকরা। আহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুলিশ সদস্য রয়েছেন। সহিংসতা প্রতিরোধে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ও খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
যশোর, পটিয়াসহ কয়েকটি স্থানে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে তাদের ব্যবহূত পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয় পিকেটাররা। নারায়ণগঞ্জের সিটি মেয়র সেলিনা হায়াত আইভির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ভ্যান ভাংচুর করা হয়। জয়পুরহাটে দুটি ট্রেনে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে পিকেটাররা। এতে রকেটমেইল এক্সপ্রেসের দুটি বগি ভস্মীভূত হয়। রেললাইনে গাছের গুঁড়ি ফেলায় লালমনিরহাটের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল কয়েক ঘন্টা বন্ধ থাকে।
এছাড়া হরতাল চলাকালে রাজশাহীতে মন্দিরে, রূপগঞ্জে বিএনপি নেতার গার্মেন্টস ও কলারোয়ায় ইত্তেফাক সংবাদদাতার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। চোরাগোপ্তা হামলায় আহত হয়েছেন নেত্রকোনা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও আওয়ামী লীগ নেতা মতিয়র রহমান খান। বগুড়া জজ কোর্ট প্রাঙ্গণসহ দেশের কয়েকটি স্থানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। মাগুরায় বিএনপির ১৭৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। রাজশাহীতে ১৮ দলীয় জোটের পাঁচশ’ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। গাজীপুর, ভেড়ামারা ও চকোরিয়ায় ১৭ পিকেটারকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ইত্তেফাক প্রতিবেদক, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো আরো খবর:
জয়পুরহাট:রেল স্টেশনে সকালে সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর রূপসা ট্রেন এবং দুপুরে পুরানাপৈল নামক স্থানে চিলাহাটী থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল ট্রেনে ইট-পাথর নিক্ষেপ, ভাংচুর, বগিতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে হরতালকারীরা। এ সময় ইট-পাথরের আঘাতে কমপক্ষে ৮০ ট্রেন যাত্রী আহত হয়েছেন। আগুনে রকেট মেইল ট্রেনের ২টি বগি ভস্মিভূত হয়েছে। আহত যাত্রীদের বিভিন্ন চিকিত্সাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এই রুটে সকল প্রকার ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
খুলনা অফিস:পাইকগাছায় হরতাল সমর্থক ও পুলিশের সংঘর্ষে ৫ পুলিশ সদস্য এবং তিন নারীসহ ১০/১২ জন আহত হয়েছে। নগরীতে হরতাল চলাকালে ৬টি ইজিবাইক ভাংচুর, দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় পুলিশ দু’জনকে আটক করে।
মংলা :হরতালের প্রভাব পড়েনি মংলা বন্দরে। সকাল থেকেই বন্দর চ্যানেল ও বন্দর জেটিতে অবস্থানরত সকল বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য খালাসের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলেছে।
চাঁদপুর :জেলা সদরসহ কচুয়া, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি, মতলবে ১৮ জোটের নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। হরতাল সমর্থনকারীরা হাজীগঞ্জে বেশ কয়েকটি দোকান ও চাঁদপুর শহরের মুক্তিযোদ্ধা সড়কে সংবাদপত্রের গাড়ী ভাংচুর করে। এ সময় গাড়ীর হেলপার আঃ রহিম (২৭) ইটের আঘাতে মারাত্মক আহত হন। হাজীগঞ্জে জোট নেতা-কর্মীদের সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছেন।
বগুড়া প্রতিনিধি :ধাওয়া-পালটা ধাওয়া, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের মধ্যদিয়ে হরতাল পালিত হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় হরতাল সমর্থকরা। এসময় বিচারক এজলাসে ছিলেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ। ককটেল বিস্ফোরণের পরপরই কোর্ট ভবনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ১০টার দিকে বগুড়ার ধুনটে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৮ রাউন্ড শটগানের গুলি করে।
কাহালু (বগুড়া) :সকালে হরতাল সমর্থকেরা সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা পদ্মরাগ (২১ আপ) ট্রেনের হুস পাইপ খুলে দিলে ট্রেনটি কাহালু রেলস্টেশনের সামান্য পশ্চিমে কাহালু সিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সামনে ১ ঘন্টা ধরে আটকে থাকে।
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) :স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম ও ফজলুল করিম নিপুকে লাঞ্ছিত করেছে হরতাল সমর্থকরা। ভোরে একটি সিএনজি ভাংচুর করেছে হরতাল সমর্থকরা।
সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) :ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বিএনপি সমর্থকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এক পুলিশ সদস্য ও আওয়মী লীগ নেতা আশ্রাফ আলী আহত হয়। পরে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের ধাওয়ায় বিএনপি কর্মীরা পিছু হটে। এসময় টঙ্গীবাড়ি উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আক্তার হোসেনসহ ৪ জন আহত হয়।
নারায়ণগঞ্জ :আড়াইহাজারে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপির ত্রিমুখী সংঘর্ষে ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ এসব ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালসহ ৩ জনকে আটক করেছে। এ সময় তাদের একজন কর্মী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর আলম খন্দকার।
নারায়ণগঞ্জ মিশনপাড়া রামকৃষ্ণ মিশন এলাকায় সেতু পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয় পিকেটাররা। ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকাতে পর পর বেশ কয়েকটি হাত বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এর মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের একটি পিকআপ ভ্যান ভাংচুর করে হরতাল সমর্থকরা। তবে আইভী ওই সময়ে ছিলেন না। পুলিশ এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে।
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ):উপজেলা নোয়াপাড়ায় বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে ১৫ জন গুলিবিদ্ধসহ ৪৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় হরতাল বিরোধীরা নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী মুনিরুজ্জামানের তারাব পৌরসভার বরাব এলাকার ম্যাক স্যুয়েটার কারখানায় হামলা চালায়। গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, সালাহউদ্দিন, রাজন, জসিমউদ্দিন, জামান, আনোয়ার হোসেন, নাঈম ও মতিনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও অন্যদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও রূপগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ছে।
বরিশাল:নগরীতে ১২টি যানবাহন ভাংচুর করেছে পিকেটাররা। ভোরে নগরীর কাশিপুরের কুদঘাটায় একটি ট্রাক ও একটি মাহিন্দ্রা ভাংচুর করে হরতাল সমর্থনকারীরা। এছাড়া পলাশপুরে দুটি, নতুন বাজারে দুটি, নাজিরেরপুলে একটি মাহিন্দ্রা (থ্রি হুইলার যানবাহন)ও রূপাতলীতে একটি অটোরিকশা ভাংচুর করা হয়। বাবুগঞ্জেও ৫/৬টি যানবাহন ভাংচুর করার খবর পাওয়া গেছে। হরতালের আগের রাত থেকে গতকাল পর্যন্ত পুলিশ মোট ৩৩ জনকে আটক করে।
রাজশাহী:জেলায় মন্দির ও খাবার দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে হরতাল সমর্থকরা। এসময় এলাকাবাসী ও পুলিশের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দুই জনকে আটক করে। সকালে হরতাল সমর্থকরা নগরীর সাহেববাজার কালিমাতার মন্দিরে হামলা চালায়। এসময় তারা মন্দিরের সামনের ফুলের টব ভাংচুর করে ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। মন্দিরে হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন পূজা উদযাপন কমিটি ও হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক অনিল কুমার সরকার। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হরতাল সমর্থকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এসময় বর্ণালী এলাকায় একটি মোটর সাইকেলে আগুন দেয় হয়। পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পিকেটার সন্দেহে ১৫ জনকে আটক করেছে। এদিকে ছাত্রদলের ক্যাডাররা জোর করে ঘুম থেকে তুলে হরতালের মিছিলে যেতে রাজশাহী কলেজ মুসলিম হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কিশোরগঞ্জ:পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরে হরতাল সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। কিশোরগঞ্জ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে কাঁদানে গ্যাস ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নোয়াখালী:দত্তেরহাটে হরতালকারীরা কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। আওয়ামী লীগের মিছিলে আসা কিছু উছৃংখল কর্মী শহরের টাউন হল মোড়ে বিএনপি নেতা আপেলের আবাসিক হোটেলে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। চাটখিল উপজেলা সদরে পুলিশ ও হরতালকারীদের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে পুলিশ ৭ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। এক পর্যায়ে ৮-১০ জন পুলিশকে একটি দোকানে প্রায় ১ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। হরতালকারীদের ইটের আঘাতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন।
রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম):জামায়াত শিবিরের কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলার মোহনগঞ্জ এলাকার স্কুলে স্কুলে উপস্থিত হয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এসময় স্কুলের শিক্ষার্থীদের তাদের মিছিলে অংশ নিতে বাধ্য করেছে।
মুন্সীগঞ্জ:গজারিয়া উপজেলা জামালদি বাসস্ট্যান্ডের কাছে হরতাল সমর্থকরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। এ সময় ৩ পুলিশ আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। এ সময় হোসেন্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাদিম গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া জেলায় হরতাল চলাকালে সংঘর্ষে ২৫ জন আহত হয়।
পটিয়া (চট্টগ্রাম):পশ্চিম পটিয়ার পিএবি সড়কের বড়উঠানের ফকিরনির হাট রাস্তার মাথা এলাকায় হরতালকারীরা টহল পুলিশের গাড়ীতে আগুন দেয়। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পলিয়া গেলে গাড়ীটি পুড়ে যায়।
কলারোয়া (সাতক্ষীরা): বিএনপি নেতাকর্মীরা ইত্তেফাকের কলারোয়া সংবাদদাতা আজাদুর রহমান খান চৌধুরীর বাসা ভাংচুর করে। এছাড়া তারা পলাশ চৌধুরী মার্কেটে ডাচবাংলা ব্যাংক ও একটি সমবায় সমিতির অফিসের গ্লাস ভাংচুর করে। এ সময় ডাচবাংলা ব্যাংকের গার্ড উপজেলার শভংকরকাটি গ্রামের মোঃ তায়জদ্দীনের ছেলে মোঃ এরশাদ আলী আহত হন। এছাড়া জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় শ্রমিক লীগের অফিসের চেয়ার-টেবিল, টিভি ও অফিসে রক্ষিত বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে অগ্নিসংযোগ করে। পরে উপজেলার সরসকাটি বাজারে আ.লীগ কর্মী রেজাউল ইসলাম (৩২), মাহবুবুর আলম রনজুকে (৩৬) কুপিয়ে জখম করে।
সাতক্ষীরা: জেলার তালা উপজেলার সুজনসাহা গ্রামে পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে চঞ্চল, রিপন, জহিরুলসহ ৬ ছাত্রদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয় বলে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। হরতাল সমর্থকদের ছোঁড়া ইটপাটকেলে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বরগুনা (দক্ষিণ): জেলার বামনা উপজেলায় হরতাল সমর্থকদের হামলায় ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। পাথরঘাটা উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নাশকতার আশঙ্কায় জেলায় ২২ জন আটক হয়েছে। আহত এসআই মোশাররফ হোসেন, কনস্টেবল সোহাগ ও লিয়াকতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে হরতালে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বরগুনায় শিবির নেতা আসাদুজ্জামানকে ১০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে ঘেরাও করে হরতাল পালন করেছে বিএনপি-জামায়াতপন্থি শিক্ষকরা। এ কারণে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ধরনের প্রশাসনিক কাজ হয়নি।
কালিয়াকৈর (গাজীপুর): ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর এলাকায় দুপুরে একটি যাত্রীবাহী গাড়িতে আগুন দিয়েছে হরতাল সমর্থনকারীরা। আগুনে যাত্রীদের বিভিন্ন মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পিকেটারদের ধাওয়া করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রায় ছয় রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এ ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আহমেদ সজল ও সকালের খবরের খালেদুন রাতুলকে লাঞ্ছিত করে আশুলিয়া থানার এসআই রাকিব। সকাল পৌনে আটটার দিকে ছাত্রদল কর্মীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটক সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল):ভূঞাপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের হাত-পাঁ ভেঙ্গে দিয়েছে হরতাল সমর্থনকারীরা। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পৌর এলাকার পলাশিয়া-বেতুয়াতে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়।
টঙ্গী: সকালে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী কলেজ গেট এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল ও পিকেটিং করার সময় পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় হরতাল সমর্থকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ও ২০/২৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে ২০ জন আহত হয়। একই সময় ৫/৬টি গাড়ি ভাংচুর করে তারা।
লালমনিরহাট:সদর উপজেলার মহন্দ্রেনগরে রেল লাইনের পিন খুলে ও গাছের গুঁড়ি ফেলায় সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সারাদেশের সাথে লালমনিরহাটের রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকে। দুপুরের দিকে শহরের থানা রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঢুকে হরতাল সমর্থকরা কার্যালয়ের চেয়ার, টিভি, সাইনবোর্ড, বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে। রেল স্টেশন এলাকার জেলা রেলওয়ে শ্রমিক লীগের কার্যালয়ের আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয় হরতালকারীরা।
মিরসরাই (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৪ ছাত্রলীগ কর্মীকে নির্মমভাবে কুপিয়েছে ছাত্র শিবির। এছাড়া একই সময় তারা উপজেলা ছাত্রলীগের একাংশের আহবায়ক আব্দুল আউয়াল তুহিনের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে।
আহতরা হলেন, ওয়াহেদপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে রিপন (২৪), শেখের তালুক গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে রানা (১৯), একই গ্রামের জামাল উদ্দিন (৫৫) ও তার ছেলে ওমর ফারুক (২২)।
স্থানীয় মাতৃকা হাসপাতালের চিকিত্সক প্রফেসর ডা. জামশেদ আলম জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে ওমর ফারুক ও রানার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খাগড়াছড়ি: আওয়ামী লীগ-বিএনপি‘র মধ্যে সংঘর্ষ ও তাণ্ডবের কারণে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়িতে রবিবার সন্ধ্যা ৬টা হতে আগামী ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শারমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে হরতাল সমর্থকরা বেশ কয়েকটি মটর সাইকেলে আগুন দেয় এবং শহরে আওয়মী লীগ সমর্থকদের বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা চালায়। এতে অন্তত ২ জন আহত হন।
মহালছড়িতে হরতাল সমর্থকদের হামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সেক্রেটারী রতন কুমার শীল ও যুবলীগ সেক্রেটারী রেজাউল করিমসহ ৭/৮ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে গুরুতর আহত ২ জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি অফিস ভাংচুর করা হয়।
গাজীপুর: হরতাল চলাকালে জেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জেলা সদরের সালনায় অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া পিকেটিং করার সময় পুলিশের উপর হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অপরাধে জেলার ৯ পিকেটারকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সিলেট: হরতালের প্রথম দিন সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে অতিবাহিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন এবং ১৮ দলীয় নেতা-কর্মীদের মিছিল-সমাবেশে নগরী ছিল সরগরম। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও ছিল। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। র্যাব ছাত্রদলের এককর্মী ও পুলিশ শিবিরের এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। সিলেট থেকে দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়নি। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
যশোর: হরতাল চলাকালে জেলায় পুলিশের গাড়িতে আগুন, সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম, বিক্ষিপ্ত বোমাবাজি ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। হামলা-তাণ্ডবে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৮ জনকে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুপুরে যশোর-মনিরামপুর সড়কের কুয়াদা বাজারে জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের হামলায় এক এসআইসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা পুলিশের ব্যবহূত একটি পিকআপে আগুন ও অপর একটি পিকআপ ভাঙচুর করেছে। আহত এসআই ওহিদুজ্জামান ও ৪ কনস্টেবলকে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রূপদিয়ায় এক সাংবাদিককে বেধড়ক মারপিট করে তার মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে হরতাল সমর্থকরা। হামলার শিকার লাবুয়াল হক রিপন যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক সমাজের কথার স্টাফ রিপোর্টার ও যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের (জেইউজে) সদস্য।
সাভার:সাভার-আশুলিয়ায় হরতালের প্রথম দিনে বিক্ষোভ মিছিল, টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার টঙ্গী-বাইপাইল মহাসড়কের সরকার মার্কেট এলাকায় পিকেটাররা যাত্রীবাহী দুইটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। এসময় পুলিশের সাথে হরতালকারীদের সংঘষে আহত হয় অন্তত ১৫ জন। পরে কবিরপুরে আরো একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে হরতালকারীরা। এছাড়া হরতালের সমর্থনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। বাথুলি এলাকায় আগুন দেয়া হয় একটি ট্রাকে।
পটুয়াখালী: কলাপাড়া, বাউফল ও মির্জাগঞ্জে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষে অন্তত ৪৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশ ১৫ জনকে আটক করেছে।
নেত্রকোনা: বিএনপি ও ছাত্রদল সারাদিন শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলকায় তাণ্ডব চালিয়েছে। বিকালে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ ৩৭ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। এতে ১০/১২ জন আহত হয়।
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম): উপজেলায় পিকেটারদের সাথে যুবলীগের সংঘর্ষে যুবলীগের এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এতে ৩ জামায়াত কর্মীসহ আহত হয়েছে ১২ জন। একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি চেয়ার কোচে আগুন দেয়াসহ ৬টি দোকান ভাঙচুর করেছে হরতাল সমর্থকরা।
মাগুরা: মাগুরায় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের ১৭৭ জন নেতা-কর্মীর নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। সকালে সদর থানার এসআই আ: মোমিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
হবিগঞ্জ: লাখাই উপজেলার বুল্লা বাজারে হরতাল সমর্থক ও ছাত্রলীগ কর্মীদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়ে।
নাজিরপুর (পিরোজপুর): উপজেলায় হরতাল সমর্থক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের উপরে ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশ টিয়ার সেল ও শটগানের গুলি ছুঁড়ে হরতালকারীদের ছত্রভংগ করে দেয়। এ ঘটনায় দুই পুলিশসহ ৪ হরতাল সমর্থক আহত হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর: বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধ, টায়ারে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে জেলায় হরতাল চলছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ২৫/৩০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে হরতাল সমর্থকরা।
রামগঞ্জে হরতালকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে ২ মহিলাসহ আহত হয়েছেন ৫ জন। আহত আমেনা ও তুহিনকে চিকিত্সার জন্য হাজীগঞ্জে নেয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ: বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে সিরাজগঞ্জে পুলিশের এএসপি ফোরকান সিকদারসহ অন্তত ৪৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অর্ধশতাধিক টিয়ারসেল, রাবার বুলেট ও শটগানের গুলি নিক্ষেপ করেছে।
দিনাজপুর: হরতাল চলাকালে বিএনপি-জামায়াত ক্যাডারদের হাতে ২৫ জন আহত হয়েছে। ৩০টি যানবাহন ভাংচুর করা হয়েছে। ১২ জন পিকেটারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দুপুর সাড়ে ১২টায় হরতালকারীরা যুবলীগ কর্মী প্রভাত রায় (২৫)-এর কব্জির রগ কেটে দিয়েছে। তাকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডোমার (নীলফামারী): উপজেলায় পুলিশ, আওয়ামী লীগের সাথে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশসহ ১০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ চার জনকে আটক করেছে।
পাটগ্রাম (লালমনিরহাট):বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে সকল প্রকার আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। হরতালে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় গতকাল বুড়িমারী ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশে আসা কয়েকশত পাসপোর্টধারী যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন।
বেড়া (পাবনা):উপজেলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগ কার্যালয়সহ অন্তত বিশটি দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় দশজন আহত হয়েছে।
ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) : হরতালে পিকেটিংকালে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক ৬ পিকেটারকে ২ মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জামালপুর : জেলার বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৮ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬৭ জন নেতাকর্মীসহ মোট ৭৫ জন আহত হয়েছে।
গফরগাঁও (ময়মনসিংহ): বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে হরতাল বিরোধী আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।
চকরিয়া (কক্সবাজার): চকরিয়া পৌরশহরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র মধ্যে কয়েক রাউন্ড গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জাকের আহমদ (৫৪) নামের এক বিএনপি সমর্থক গুলিবিদ্ধ হন। আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই পিকেটারকে ৭ দিনের জেল দিয়েছেন।
রংপুর : যানবাহন-দোকানপাট ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, সড়কে গাছ ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ককটেল বিস্ফোরণ, সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে হরতালের প্রথম দিন অতিবাহিত হয়েছে। সংঘর্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রাতে শ্যামপুর রেল স্টেশনের কাছে রেললাইনে অগ্নিসংযোগ করেছে পিকেটাররা।