বগুড়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত

বগুড়ার গাবতলীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১০ জন। সংঘর্ষে নিহত শাজাহান আলী (৩৮) উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য এবং দিহিডহর গ্রামের মৃত ছাবেদ ফকিরের ছেলে। গতকাল রবিবার দুপুরে ঘন্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। জানা গেছে, গাবতলী পৌর মেয়র মোর্শেদ মিলটন গ্রুপের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম হেলাল গ্রুপের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। দুপুরে জাহিদুল গ্রুপের নেতাকর্মীরা হরতালের সমর্থনে গাবতলী তিন মাথা মোড়ে অবস্থান নেয়। এসময় মিলটন গ্রুপের নেতাকর্মী ধারালো অস্ত্র লাঠিসোঁটা নিয়ে জাহিদুল গ্রুপের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে মিলটন গ্রুপের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাহিদুল গ্রুপের কর্মীদের কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শাজাহান আলী মারা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। তবে থানার ওসি আবু আহমেদ হাশমী জানান, সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে নিবৃত করেছে। গাবতলীতে ১৪৪ ধারা জারি বগুড়ার গাবতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় পুনরায় সংঘর্ষের আশংকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রবিবার বিকাল ৫টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত গাবতলী পৌর এলাকা ছাড়াও উপজেলার নারুয়ামালা হাটের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে বলে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পৌর এলাকাসহ এর বাইরে নারুয়ামালা হাটের আশপাশে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে।