সমঝোতার মানসিকতা নিয়ে
আলোচনায় বসুন
প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৬
দেশ কি নির্বাচন না সংঘাতের পথে— বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়ে আছে। সবাই শুধু নির্বাচন নিয়ে নতুন নতুন প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু রিং পরানো, বিয়ে-বাসর আদৌ হবে কিনা তা নিয়ে সাধারণ জনমনে যথেষ্ট সন্দেহ। প্রস্তাব উপস্থাপনের পর রাজনৈতিক আনুগত্য বজায় রেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও টিভি টকশোতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় বিশ্লেষকের বড়ই অভাব মনে হচ্ছে এ মুহূর্তে। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল তেল আর জল একসঙ্গে করার চেষ্টা করছে যা আদৌ সম্ভব নয়। নেপোলিয়ান ফ্রান্সের সম্রাট হওয়ার পর ১৮১৫ সালে রাশিয়া আক্রমণ করেন। জয়ের কাছাকাছি পৌঁছামাত্র সংবাদ পান ফ্রান্স বেদখল হয়ে যাচ্ছে। ফিরে এসে তিনি গৃহবন্দি হন। ওয়ান ইলেভেনের সময় এমনই ঘটেছিল দু নেত্রীর ক্ষেত্রে। ইংরেজ কবি বায়রন বলেছিলেন— “যে নারীকে ভালোবাসি তার জন্য জীবন দেওয়া যত সহজ তার সঙ্গে ঘর করা তত সহজ নয়”। ঠিক তেমনি এদেশের জন্য জীবন দেওয়া যত সহজ সাধারণ নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকা তত সহজ নয়। রাজনীতিবিদদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি—সাধারণ মানুষ আলোচনা চায়। দয়া করে আলোচনায় বসুন সমঝোতায় পৌঁছার মনমানসিকতা নিয়ে। আপনাদের ছেলেমেয়েরা বিদেশে বসবাস করে আর আমার ভাইবোনেরা এদেশের রাস্তায় চলাফেরা করে। যে কোনো সময় রাজনৈতিক দাঙ্গা কেড়ে নিতে পারে একটি প্রাণ। উপার্জন অক্ষম হতে পারে একটি পরিবার।
শেরপুর