নীলফামারীতে আদা গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি
সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৫০
এক সময় কৃষক পানির দরে বিক্রি করতো তাদের উত্পাদিত আদা। যারা আদা নিয়ে কারবার করতো তাদেরকে ব্যঙ্গ করে বলা হতো ‘ আদার ব্যাপারি জাহাজের খবর কিংবা আদা আবাদ করে গাধা’ ইত্যাদি। কিন্তু সেইদিন পাল্টেছে। বর্তমানে এই মসলা জাতীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। আদা চাষ করে আজ লাভবান কৃষক।
দেশের উত্তর সীমান্তের অবহেলিত জনপদ নীলফামারী। ধান, পাট, গম, আদা এ অঞ্চলের অর্থকরি ফসল হওয়া সত্ত্বেও এ জেলায় কৃষিভিত্তিক কোন শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। দেশের নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুর ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে আদা উত্পন্ন হয়ে থাকে। এর মধ্যে নীলফামারী জেলায় বেশি আদা উত্পন্ন হয়। গুণ ও মানের দিক দিয়ে এ জেলার আদা উত্কৃষ্ট মানের।
দেশে ধান, পাট, তামাক, চা, তুলা, গম প্রভৃতি চাষের জন্য গবেষণা কেন্দ্র থাকলেও আদা চাষ ও উন্নয়নের জন্য কোন গবেষণা কেন্দ্র নেই। অথচ আধুনিক পদ্ধতিতে আদা চাষাবাদ করলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে আদা রপ্তানি করে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এ জেলার আদা সিঙ্গাপুর, জাপান, কানাডা, জার্মানি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে বলে জানা গেছে। আদা রপ্তানি ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য প্রক্রিয়াজাতকরণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি করে এ জেলায় স্থাপন করা দরকার- মন্তব্য সচেতন মহলের।