সহনশীলতার বিকল্প নেই

দুই নেত্রীর মধ্যে টেলিফোনে কথা হলো—কিন্তু ফলাফল শূন্য। কেউই রাজনীতির তালগাছটা ছাড়তে নারাজ। কোনো সংলাপই শর্ত দিয়ে হয় না। একসঙ্গে বসলে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অনেক কিছু বের হয়ে আসে। এখনো যদি কোনো ধরনের সমঝোতা দুই দলের মধ্যে না হয় তাহলে সামনে আরো ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। দেশের মানুষকে কলুষ রাজনীতির বেড়াজাল থেকে দুই নেত্রী উদ্ধার করতে পারেন। দেশে সামান্য অরাজকতায়ই খাতুনগঞ্জের পাইকারি আড়তে সব ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। রাজনৈতিক অরাজকতা চলতে থাকলে মানুষকে গভীর সংকটে পড়তে হবে। দেশ তখন অচল হয়ে পড়বে। তাই উভয় দলকেই সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। সত্যিকারের গণতন্ত্র সংঘাত-সংঘর্ষ সমর্থন করে না। একসঙ্গে বসতে হবে দেশের মানুষের স্বার্থে। মনে রাখতে হবে দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি। ব্যক্তিগত স্বার্থে রাজনীতি করার অধিকার কোনো দলের বা গোষ্ঠীর নেই। ঠিক একইভাবে আগেরবার বিএনপি সরকারের গাফেলতির কারণে দেশটা সেনাশাসিত সরকারের হাতে গিয়েছিল। তখন দুই নেত্রিকেই কারাবরণ করতে হয়েছিল। সে কথা এখন ভুলে গেলে চলবে না। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দায়িত্ব হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সবাইকে নিয়ে নির্বাচনমুখী পরিবেশ তৈরি করা। সংঘর্ষ-সংঘাত হলে কারোরই মঙ্গল হবে না। সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বে দেশের সাধারণ মানুষ। তাই সকল ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে উদার মন নিয়ে সংলাপে বসতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। মুন্সীগঞ্জ