গোদাগাড়ীতে গোলচত্বর নির্মাণ কাজ আবারো বন্ধ

গোদাগাড়ীতে ডাইংপাড়া মোড় গোলচত্বর প্রকল্পের কাজ আবারো বন্ধ হয়ে গেছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করায় নির্মাণের মাত্র ২ দিনের ব্যবধানে সড়কের কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় লোকজন নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। জানা যায়, প্রকল্পের শুরু থেকেই গোলচত্বর নির্মাণ প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় গত ২৩ মে প্রথমবারের মত প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয় স্থানীয় লোকজন। পরদিন ঠিকাদারের লোকজন জোর করে কাজ করতে আসলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ঠিকাদার ও কয়েকজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে ২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ জনতা। পরবর্তীতে সড়ক ও জনপথের জায়গা দখলমুক্ত করে পুনরায় কাজ শুরু করা হয়। অভিযোগ রয়েছে গোল চত্বর ও ডিভাইডেড নির্মাণে নিম্নমানের ব্লক দেয়ার ফলে সামান্য ধাক্কাতেই ব্লকগুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। গোল চত্বরের পাশ দিয়ে সম্প্রসারিত সড়কের জন্য গর্ত করা হলেও বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে ভরাট করে দিয়েছে। নষ্ট হয়ে যাওয়া পুরান কার্পেটিং না তুলে এর উপরই নতুন করে কার্পেটিং করা হচ্ছে। সিডিউল অনুযায়ী সামগ্রী ব্যবহার না করায় নির্মাণের দুইদিন পর কার্পেটিং উঠে সড়কে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনা এড়াতে ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা সদর ডাইংপাড়া মোড়ে গোল চত্বর প্রকল্প গ্রহণ করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় বিসমিল্লাহ্ নামে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সাব-ঠিকাদারের কাছে প্রকল্পের কাজ বিক্রি করে দেয়। সাব-ঠিকাদারের সঙ্গে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলামের অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাজ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কাজের মান যাচাই বাছাইয়ের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী কাজ পরিদর্শনে আসেননি।