জনতার ঢল
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০১৩, ২২:২৯
আওয়ামী লীগের জনসভাকে কেন্দ্র করে গতকাল ঐতিহাসিক সোহরাও-য়ার্দী উদ্যানে জনতার ঢল নেমেছিল। জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে এ জনসভার আয়োজন করা হলেও বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম কার্যত জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীতে প্রাক-নির্বাচনী বড় ধরনের শো-ডাউন করল আওয়ামী লীগ। সমাবেশে আসা হাজার হাজার মানুষের হাতে দলীয় প্রতীক আর নৌকা মার্কার শ্লোগানে প্রকম্পিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভাটি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী জনসভাতেই রূপ নেয়। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সকল নেতার বক্তব্যেই ছিল আগামী নির্বাচন, সরকারের উন্নয়ন ও বিরোধী দলের কঠোর সমালোচনায় ভরা। জনসভা উপলক্ষে দুপুর থেকেই জনতার ঢল নামে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাপ ছিল দৃশ্যমান। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ছবি ও তাদের নামে শ্লোগান ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়া সবার মুখে মুখে ছিল নির্বাচনী শ্লোগান। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা-নৌকা শ্লোাগানে মুখরিত হয় গোটা জনসভাস্থল। ঢাকা মহানগরীর ১৫টি আসন থেকে এবং সাভারসহ আশেপাশের জেলা থেকেও নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে জনসভায় যোগ দিতে দেখা যায়।
ডিএমপির নিষেধাজ্ঞার কারণে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে থেকে শাহবাগ পর্যন্ত কোনো মাইক ছিল না।
আয়োজকদের দাবি, ডিএমপির নিষেধাজ্ঞার কারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চতুর্দিকের সকল রাস্তায় মাইক লাগানো হলেও পরে তা খুলে নেয়া হয়েছে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে। তবে দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জনস্রোতের কারণে পুরো এলাকাই কার্যত অচল হয়ে পড়ে। ফলে রাজধানীতে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।