জোকস

 বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল সেগান ছোটবেলা থেকেই গ্রহ, নক্ষত্র ও তারকারাজির প্রতি কৌতূহলী ছিলেন। তো একবার তারকারাজি ও মহাবিশ্বের ওপর আগ্রহ থেকেই তিনি স্থানীয় একটি গ্রন্থাগারে গিয়েছিলেন এ সংক্রান্ত কিছু বইয়ের খোঁজে। যথারীতি লাইব্রেরিয়ানের কাছে তিনি তারকারাজি বা ‘স্টারস’ সম্পর্কে কোনো বই আছে কি না জানতে চাইলেন। তবে লাইব্রেরিয়ান তাকে যে বইটি ধরিয়ে দিলেন পরে সেটি খুলে সেগান দেখলেন বইটি হলো হলিউড স্টারসদের একটি জীবনীগ্রন্থ।  ইংল্যান্ড দলের বিখ্যাত স্পিনার হেডলি ভেরিটি তখন বেশ ভালো ফর্মে ছিলেন। বল হাতে পর পর কয়েকটা সফরে বেশ ভালোও করছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এসে সে দেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ক্যামেরনের কাছে দারুণ মার খাচ্ছিলেন তিনি। এমনই একদিন হেডলির এক ওভারে তিনটি চার ও তিনটি ছয় মেরে রীতিমতো স্টেডিয়াম কাঁপিয়ে দিলেন ক্যামেরন। তখন উইকেটের পেছন থেকে ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক আর্থার উড হেডলিকে বললেন, ‘শাবাশ হেডলি! চালিয়ে যাও। তুমি তো ব্যাটসম্যানকে রীতিমতো দোটানায় ফেলে দিয়েছ!’ বলা বাহুল্য, আর্থার উডের এই হেঁয়ালিটি বুঝতে না পেরে তাকে পুনরায় কী বলেছেন তা বুঝিয়ে বলতে বললেন হেডলি। তখন উত্তরে আর্থার উড বললেন, ‘মানে তোমার বলে ব্যাটসম্যান চার মারবে না ছয় মারবে সেটা বুঝতে পারছে না বলে রীতিমতো দোটানায় পড়ে যাচ্ছে!’  বিখ্যাত ইংরেজ লেখক চেস্টারটন ছিলেন খুবই মোটা। আর তাঁর সমকালীন আরেক বিখ্যাত লেখক জর্জ বার্নার্ড শ’ ছিলেন রোগা-পাতলা এবং বেশ লম্বা। মজার বিষয় হলো, শ’ একবার চেস্টারটনের বিশাল শরীরের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, ‘তোমার মতো মোটা হলে আমি গলায় দড়ি দিয়ে মরতাম।’ তবে শ’ এর কথায় বিন্দুমাত্র দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না চেস্টারটন। তাই শ’এর এই কথাটিকে মাটিতে পড়তে না দিয়েই তিনি উত্তরে বলেছিলেন, ‘গলায় দড়ি দেওয়ার কথা ভাবলে আমি তোমাকেই (শ’কে) দড়ি বানাতাম।’