ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-গ্রামীণফোন এওয়ার্ড পেলেন ২০ সাংবাদিক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০১৩, ২১:২১
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, গণমাধ্যম গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে অনেক বেশি প্রভাবকের ভূমিকা রাখে। দেশ, সমাজ সংস্কার ও বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সাংবাদিকরা।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-গ্রামীণফোন রিপোর্টিং এওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে স্পিকার এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পৃথক ২০টি বিভাগে ২০ সাংবাদিককে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এ বছর সংসদ বিষয়ক রিপোর্টের জন্য ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-গ্রামীণফোন রিপোর্টিং এওয়ার্ড’ লাভ করেন দৈনিক ইত্তেফাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আশিস সৈকত। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক সমকালের আবু সালেহ রনি (মুক্তিযুদ্ধ বিভাগ), মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সজল জাহিদ (তথ্য ও যোগাযোগ), কালের কণ্ঠের রাজিব আহমেদ (উদ্দেশ্যমূলক অর্থনীতি), জনকণ্ঠের রাজন ভট্টাচার্য (নারী ও শিশু অধিকার), মোরসালিন মিজান (ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি), এম শাহজাহান (অপরাধ), নিউ এজ’র এরশাদ কমল খান (পরিবেশ ও প্রকৃতি), ইনকিলাবের শামীম চৌধুরী (ক্রীড়া), প্রথম আলোর মনজুর আহমেদ (আর্থিক), আনোয়ার হোসেন (যোগাযোগ), ঢাকা ট্রিবিউনের আমিনুর রহমান রাসেল (শক্তি ও জ্বালানি), ডেইলি স্টারের পিনাকী রায় (কৃষি), যুগান্তরের শাহ আলম খান (জনশক্তি)। অনলাইন শ্রেণীতে পুরস্কার পেয়েছেন বাংলামেইল২৪ ডট কমের এস এম নুরুজ্জামান। টেলিভিশন সাংবাদিকতায় পুরস্কার পেয়েছেন ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির মাহবুব আলম লাভলু (সুশাসন ও দুর্নীতি), বৈশাখী টিভির খাদিজা নাহার (নারী ও শিশু অধিকার), একাত্তর টিভির জি এম ফয়সাল আলম (মানবাধিকার), মাছরাঙা টিভির নাজমুল হোসাইন (অপরাধ)। রেডিও সাংবাদিকতা শ্রেণীতে বিবিসি বাংলার আহরার হোসেন (সামাজিক সমস্যা বিভাগ) পুরস্কার পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, গ্রামীণফোনের হেড অব কর্পোরেট এবং কমিউনিকেশন্স তাহমিদ আজিজুল হক, প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলের চেয়ারম্যান এম শফিকুল করিম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান।
উল্লেখ্য অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত সকল সাংবাদিককে ক্রেস্ট, সনদপত্র এবং ৭৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।