বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড
ম্যাচের টুকিটাকি
প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৫৯
মুখোশ
মাঠে ‘টাইগার’ ডাক নামের বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা যাই করুক, গ্যালারিতে কাল চোখে পড়ল ঝাঁকে ঝাঁকে বাঘ! এর আগে দ্বিতীয় ওয়ানডের দিনও দেখা গিয়েছিল হাজারও দর্শকের মুখে এই একইরকম বাঘের মুখোশ। ব্যাপারটা কী? না, কোনো বিজ্ঞাপনদাতার কাণ্ড নয়। এই মুখোশ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট সাপোর্টার সোসাইটি নামে একটি সংগঠন। এই সংগঠনটি ইদানিং ক্রিকেটার ও সমর্থকদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে নানা উদ্যোগই নিচ্ছে। ক্রিকেটারদের কাছে বিভিন্ন সময় পৌঁছে দিচ্ছে সমর্থকদের শুভেচ্ছাবার্তা। সাফল্য পাওয়া ক্রিকেটারকে বিভিন্ন উপহার দিচ্ছে তারা। এরই অংশ হিসেবে গতকাল নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টিতে ৫ হাজার বাঘের মুখোশ সমর্থকদের মধ্যে বিতরণ করেছে তারা। এর আগে ২য় ওয়ানডেতে ১৫ হাজার মুখোশ বিলি করেছিল সংগঠনটি।
ঘটনা-ঘটনা
বাংলাদেশের ইনিংসের প্রথম ১০টি বলকে একেবারে আক্ষরিক অর্থে ঘটনাবহুল সময় বলে দেয়া যায়। এই ১০ বলের মধ্যে বাংলাদেশি তিনজন ব্যাটসম্যান আউট হয়েছেন এবং তিনটি বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি হয়েছে! ইনিংসের প্রথম বলেই সাউদিকে চার মেরে শুরু করেন সামসুর রহমান, পরের বলে তিনি আউট। তার পরের বল ডট গেলেও চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন মুমিনুল। পঞ্চম বলে জিয়ার ছক্কা ও ষষ্ঠ বলে আউট। সপ্তম বলে মুমিনুলের ছক্কা, দশম বলে আউট। এই হারে চলতে থাকলে ব্যাপারটা খুব বেশিদূর যাওয়ার কথা ছিল না।
অভিষেক
টেস্ট খেলে ফেলেছেন এই সফরেই। সম্ভাবনা ছিল ওয়ানডে অভিষেকও হওয়ার। সেটা না হলেও গতকাল টি-টোয়েন্টি অভিষেকটা হয়ে গেল আল আমিনের। রুবেল হোসেনের বদলে গতকাল একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে খেলতে নেমেছিলেন এই তরুণ পেসার। বাংলাদেশের ৩১তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৩৯তম খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেক হল তার। শুরুটা খুব খারাপ হয়েছে, তা বলা যাবে না। প্রথম তিন ওভারে উইকেট না পেলেও ইনিংসের শেষ ওভারে এসে মাত্র ৬ রান দিয়ে তুলে নিলেন ২ উইকেট; ম্যাচে তার ৩১ রানে ২ উইকেট। বলা যায় আল আমিনের এই শেষ ওভারটার কারণেই নিউজিলান্ডের স্কোর আরও বড় হয়নি।
স্কো র কা র্ড
বাংলাদেশ — নিউজিল্যান্ড
একমাত্র টি-টোয়েন্টি
নিউজিল্যান্ড : রান বল চার ছয়
ডেভচিচ ক শামসুর ব রাজ্জাক ৫৯ ৩১ ১০ ১
রাদারফোর্ড ক নাসির ব গাজী ১৭ ১৭ ১ ১
টেইলর ক নাঈম ব জিয়াউর ২৮ ২৫ ৩ ০
মনরো অপরাজিত ৭৩ ৩৯ ৩ ৫
এন্ডারসন ব আল-আমিন ১৮ ৬ ১ ২
রনচি ক এন্ড ব আল-আমিন ০ ২ ০ ০
নাথান ম্যককলাম অপরাজিত ০ ০ ০ ০
অতিরিক্ত (লে বা ২, ও ৭) ৯
মোট : ২০৫/৫
বোলিং :মাশরাফি ৪-০-৪৬-০, সোহাগ গাজী ৩-০-৩০-১, আল-আমিন ৪-০-৩১-২, নাসির ১-০-১৬-০, মাহমুদুল্লাহ ৪-০-৩৪-০, রাজ্জাক ২-০-১৯-১, জিয়া ২-০-২৬-১
বাংলাদেশ রান বল চার ছয়
শামসুর ক ম্যাকক্লিনাঘান ব সোদি ৪ ২ ১ ০
জিয়া ব সোদি ৬ ২ ০ ১
মুমিনুল ক মিলস ব ম্যাকক্লিনাঘান ৯ ৬ ০ ১
মুশফিক ক টেইলর ব এন্ডারসন ৫০ ২৯ ৭ ১
নাঈম ক সোদি ব ম্যাককলাম ২৮ ২০ ৪ ০
নাসির ক এন্ড ব ম্যাককলাম ২৪ ১৮ ০ ২
মাহমুদুল্লাহ ক টেইলর ব এন্ডারসন ৩৪ ২৫ ০ ৩
গাজী রান আউট ২৪ ১৫ ১ ১
মাশরাফি অপরাজিত ৭ ৭ ১ ০
রাজ্জাক ব সোদি ০ ১ ০ ০
আল-আমিন অপরাজিত ৫ ৩ ১ ০
অতিরিক্ত (লে বা ৩, ও ১) ৪
মোট ১৮৯/৯
বোলিং :সোদি ৪-০-৩৮-৩, ম্যাকক্লিনাঘান ৩-০-৪৫-১, মিলস ৪-০-৩২-১, ম্যাককলাম ২-০-১৮-১, ডেভচিচ ৩-০-৩২-০, অ্যান্ডারসন ৪-০-২১-২