রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তালা কুবিতে অচলাবস্থা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের লাগাতার আন্দোলন চলছে। তবে গত বুধবার তারা আবার নতুন উদ্যমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন খানের প্রত্যাহার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ২৭ অক্টোবর থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১০ কার্যদিবস উপাচার্যের কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখে আন্দোলনকারীরা। ৪ নভেম্বর থেকে আন্দোলনকারীরা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ও তালা দিয়ে রাখেন। ঈদুল আজহা ও শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটির পর ২৭ অক্টোবর খোলা হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। ঐ দিনই শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বিরোধী আন্দোলন। ‘অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ জোট’ নামের শিক্ষকদের একটি সংগঠন এ আন্দোলন শুরু করে। তাদের দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে উপাচার্য ড. আমির হোসেন খান প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তিনি নিয়োগ ও পদোন্নতিতে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন। জাল সনদধারী, অযোগ্য এবং অর্থের বিনিময়ে উপাচার্য নিজের পছন্দমত শর্ত পূরণ ছাড়াই লোক নিয়োগ দিয়েছেন ও দিচ্ছেন। তাদের দাবি, উপাচার্যকে প্রত্যাহার ও এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। এদিকে উপাচার্য ২৭ অক্টোবরের পর থেকে তার কার্যালয়ে আসছেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ‘অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ জোট’ রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। তারা বলেন, উপাচার্যের নির্দেশে রেজিস্ট্রারকে কোন অনিয়ম করতে দেয়া হবে না। কার্যালয়ে তালা থাকার কারণে রেজিস্ট্রার মোঃ মজিবুর রহমান মজুমদার ও অন্য কর্মকর্তারাও কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি।