পরীক্ষা নিয়ে অযথা চাপে ভোগবে না

শ্যামল কান্তি ঘোষ মহাপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এই সময়ে শিশুরা এতদিন যে পড়াগুলো পড়েছে বা স্কুলে পরীক্ষা দিয়েছে সেগুলোই বারবার পড়বে। আর পরীক্ষার হলে নিজের মাথা খাটিয়ে অর্থাত্ সামর্থ অনুযায়ি প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্ঠা করবে। কারো কথা শুনে অনুসরণ কিংবা অনুকরণ করে নয়। শিশুরা পবিত্র মনের তারা পরীক্ষার হলে কোনো ধরণের অসুদুপায় অবলম্বন করে না। শিক্ষার্থীদের আমি বলবো, তোমরা পরীক্ষা বিষয়ে অযথা চাপে ভোগবে না। সমাপনী পরীক্ষা ছাড়াও তোমরা অন্যান্য ক্লাসে কিংবা পঞ্চম শ্রেণির ও মাসিক, ষাণ্মাসিক কিংবা ক্লাস টেস্ট দিয়েছ। এ পরীক্ষাটাও ঠিক তেমনি। এটা আলাদা কোনো পরীক্ষা নয়। এ পরীক্ষাটি তোমাদের বিদ্যালয় ব্যতীত অন্য বিদ্যালয়ে গিয়ে দিবে, এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সেখানে যে শিক্ষকরা থাকবেন তারাও তোমাদের নিজের স্কুলের শিক্ষকদের মতোই। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের আমি বলবো, যারা আপনার স্কুলে পরীক্ষা দিতে আসবে তাদের সাথে আপনার নিজের স্কুলের শিক্ষার্থীদের মতোই আচরণ করবেন। শিক্ষকদের আচরণ, পরীক্ষার হলের পরিবেশ, কেন্দ্রের পরিবেশ যাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে সেদিকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। অভিভাবকদের বলবো, আপনার সন্তানের নিয়মিত পড়াশোনার উপর নজর রাখুন। তাদের অতিরিক্ত পড়াশোনা কিংবা পরীক্ষার ফলাফলের জন্য কোনো চাপ দিবেন না। পরীক্ষার আগের রাতেই আপনারা তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যেমন এডমিট কার্ড, রেজি: কার্ড, কলম, স্কেল ইত্যাদি গুছিয়ে রাখবেন। প্রথম পরীক্ষার দিন পরীক্ষার্থীরা আধা ঘণ্টা পূর্বে একজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রে উপস্থিত হবে। এবারও এক উপজেলার খাতা অন্য উপজেলায় মূল্যায়ন করা হবে। পরিশেষে অভিভাবকদের বলবো, আপনার সন্তানটি যাতে সুস্থও মানসিক চাপমুক্ত থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং সমাপ্ত করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।