ভাঙ্গুড়া মিল্ক ভিটার চেক জালিয়াতি

অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ৬০টি দুগ্ধ সমবায় সমিতি দুধ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় মিল্ক ভিটার ভাঙ্গুড়া কারখানায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার ৭৭টি দুগ্ধ সমবায় সমিতি এখানে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার লিটার দুধ দিত। বর্তমানে মাত্র দেড় হাজার লিটার দুধ পাওয়া যাচ্ছে। সমপ্রতি সোনালী ব্যাংকের ভাঙ্গুড়া শাখায় বেশ কিছু সমিতির দুধ বিক্রির কমিশন জমার একাউন্ট থেকে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ৬ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মিল্ক ভিটার স্থানীয় ম্যানেজমেন্টের প্রতি সমিতিগুলো আস্থা হারায়। এ বিষয়ে গত ১২ অক্টোবর ইত্তেফাকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জালিয়াতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কারখানার ব্যবস্থাপক ডাঃ ফরহাদুল আলমকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং প্রধান কার্যালয়ের বিদ্যুত্ কুমার মন্ডলকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। প্রতিটি সমিতির সভাপতি ও কারখানার ম্যানেজারের যৌথ স্বাক্ষরে ঐ ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হয়। চৌবাড়িয়া দুগ্ধ সমবায় সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব ফজলার রহমান জানিয়েছেন, কারখানার নিকট তাদের বকেয়া পাওনা ২৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত দুধ সরবরাহ করা সম্ভব হবে না।