জনগণের জানমাল বিনষ্টকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, আন্দোলনের নামে জনগণের জানমাল নষ্টকারীরা যত বড় নেতাই হোক না কেন জাতীয় শৃঙ্খলার স্বার্থে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আইনের চোখে সবাই সমান-এই দৃষ্টিকোণ থেকেই সম্প্রতি বিএনপির নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের নির্দেশে সরকারি-বেসরকারি সম্পদ নষ্ট করা হচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনা কী অপরাধ? শনিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের জরুরি বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন। মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আগামী নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন প্রতিহত করার শক্তি ও সাহস কোনটিই বিএনপির নেই। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বিরোধী দলীয় নেত্রীকে ‘পাষাণ’ আখ্যায়িত করে বলেন, উনার আর কত লাশের প্রয়োজন? কত লাশ হলে উনি সহিংসতা বন্ধ করবেন? তবে আর সহিংসতা করলে সরকার আরো কঠোর অবস্থানে যাবে। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এমপি প্রমুখ। আজ রবিবার থেকে শুরু হওয়া ৮৪ ঘণ্টার হরতালে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের করণীয় নির্ধারণ করতে এ সভার আয়োজন করা হয়।